পাবনার ফরিদপুর উপজেলার হাদল ইউনিয়নের ধানুয়াঘাটা বাজারে অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় একটি গুদাম থেকে ২২০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে ইমামা বানিনের নেতৃত্বে মেসার্স হাজী ট্রেডার্সে এ অভিযান চালানো হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে মেসার্স হাজী ট্রেডার্সের একটি গুদামে বিপুল পরিমাণ সার মজুদের সন্ধান পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, পাইকারি বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব সার গুদামজাত করে রাখা হয়েছিল।
অভিযানে আরও জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. আনিসুর রহমানের কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও সার বিক্রি বা মজুদের জন্য প্রয়োজনীয় ডিলার লাইসেন্স নেই। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অবৈধভাবে সার মজুদের বিষয়টি স্বীকার করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হবেন না—এ মর্মে মুচলেকা দেওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে উদ্ধার করা ২২০ বস্তা সার কৃষকদের কাছে নির্ধারিত দামে বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আকাশ কুমার পোদ্দার, ফরিদপুর থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম, এএসআই নুর মোহাম্মদসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, “ফরিদপুর উপজেলায় পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে প্রয়োজনীয় সার কিনতে পারেন, সে জন্য কৃষি অফিস নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছে।”
তিনি আরও বলেন, “সার বিক্রি, মজুদ বা বিতরণে কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে দ্রুত কৃষি অফিসকে জানানোর জন্য কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।”
কেকে/সাশ