মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত, মজুতদারির চেষ্টা হলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা      ● মাঠে নামার আগেই সেমিফাইনালের টিকিট পেল বাংলাদেশ      ● দীপু মনির ঘনিষ্ট সহচর মিনহাজ মান্নান ইমনের কবজায় ডিএসই      ● প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন      ● হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১০      ● ডেঙ্গুতে আরও আটজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ২০৩৬      ● সিঙ্গাপুরের কাছেও হারল বাংলাদেশ, বিদায়ের শঙ্কা      
জাতীয়
নিবন্ধনের আওতায় আসছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, নিয়ন্ত্রণে ৮ জোন
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম আপডেট: ২৯.০৯.২০২৬ ১২:৫৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে নিবন্ধন, জোনভিত্তিক চলাচল ও জিপিএস নজরদারির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে চারটি করে মোট আটটি জোনে ভাগ করা হবে।

প্রতিটি জোনে নির্ধারিতসংখ্যক রিকশা চলাচল করবে। এক জোনের রিকশা অন্য জোনে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রাথমিকভাবে দুই সিটির ফিডার সড়কে মোট আট লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রকাশিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘ই-মোবিলিটি ও ব্যাটারি সোয়াপিং সিস্টেম রোল-আউট পরিকল্পনা (ঢাকা শহর)’ শীর্ষক নথিতে এসব প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ১৩ ও ৩০ আগস্ট স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নিবন্ধন, রুট, চালকের লাইসেন্স, উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ ও চার্জিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরে বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, যেগুলোর কোনো নিবন্ধন নেই। ঢাকার বাইরে রয়েছে আরও প্রায় ৪০ লাখ। অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে রাজধানীতে যানজট ও দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২ হাজার ২৫০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১ হাজার ১৭০ কিলোমিটার ফিডার সড়কে চার লাখ করে মোট আট লাখ রিকশা চলাচলের অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। এসব রিকশা প্রধান সড়কে চলাচল করতে পারবে না।

জোনভিত্তিক চলাচল নিয়ন্ত্রণে অনলাইনে জিপিএস ও জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি অফলাইনে রিকশার গায়ে আলাদা রং এবং নম্বরপ্লেটে জোনভিত্তিক কোড ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর মাধ্যমে নির্ধারিত এলাকার বাইরে রিকশার চলাচল শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

পরিকল্পনায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অনুমোদিত নতুন ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধনের পর সড়কে নামানোর কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ কর্মসূচির মাধ্যমে পুরোনো রিকশা বদলে নতুন রিকশা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

পুরোনো রিকশার মূল্য নতুন গাড়ির দামের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। বাকি অর্থ মালিক নিজে অথবা ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

দেশীয় দুই সিটের রিকশার সম্ভাব্য দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। পুরোনো গাড়ির মূল্য সমন্বয়ের পর নতুন রিকশা কিনতে প্রায় দেড় লাখ থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে।

খসড়া সিদ্ধান্তে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিটি রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল সর্বোচ্চ ১০ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। মেয়াদ শেষে নিবন্ধন বাতিল করা হবে।

সিটি করপোরেশন এলাকায় দুই সিটের রিকশার জন্য এককালীন ১০ হাজার টাকা নিবন্ধন ফি এবং বছরে ৩ হাজার টাকা নবায়ন ফি প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী নাগরিকরা জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে ৫০০ টাকা ফি দিয়ে পাঁচ বছরের জন্য চালকের লাইসেন্স পাবেন। লাইসেন্সধারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

অবৈধ চার্জিং বন্ধে নির্দিষ্ট চার্জিং পয়েন্ট ও গ্যারেজে ব্যাটারি চার্জের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রচলিত চার্জিংয়ের পরিবর্তে সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক ব্যাটারি সোয়াপিং ব্যবস্থা চালুরও প্রস্তাব রয়েছে। এতে ব্যবহৃত ব্যাটারি খুলে মাত্র এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে চার্জ করা ব্যাটারি বসিয়ে দেওয়া যাবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, চার লাখ রিকশার জন্য স্টেশনের সক্ষমতা অনুযায়ী এক হাজার থেকে ছয় হাজার ব্যাটারি সোয়াপিং স্টেশন প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিটি স্টেশন স্থাপনে প্রাথমিক বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

এসব স্টেশনের অর্থায়নে গ্রিন ফান্ড থেকে ৭০ শতাংশ, সরকারি প্রণোদনা ২০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তার নিজস্ব বিনিয়োগ ১০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  নিবন্ধন   ব্যাটারিচালিত রিকশা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close