বুকের পাশে সন্ধ্যা লেগে
যখন গাছ পাখির মতো
বধির—
‘এসেছি আমি, তোমার ঝোলা
আমায় আজ করল নুলা
ফকির!’
.
দুটো পয়সা, একটু পানি
গড়িয়ে এল অঙ্গহানি
আবার—
‘সময় আছে জখম খুলে
ক্ষতের মধ্যে ওষুধ তুলে
দেবার?’
.
ভাতের দানা রোচে না মুখে
খিদে নিয়েই কাঁপি অসুখে
একাকী?
‘এখানে তুমি বহিরাগত
ক্ষুধার চোটে ছুরিকাহত
বিবাগী!’
.
আকাশে যদি মরা গোধূলি
রক্ত ছিটিয়ে দিচ্ছে গালি
বন্য—
‘মরেছে ক্ষুধা সেই যে কবে
চাল ফুটিয়ে রাঁধে কে তবে
অন্ন?’
.
খিদে নামিয়ে না খেয়ে বাঁচি
পশুর মতো আছি তো আছি
বধির—
‘সন্ধ্যা আসো, শূন্য ঝোলা—
আমাকে নাও হে আত্মভোলা
ফকির...
কেকে/ এমএস