সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬,
১৮ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● অক্টোবরে রেমিট্যান্সে রেকর্ড, দেশে এসেছে ২৮৭ কোটি ডলার      ● পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ      ● রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ● গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশ      ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের প্রাণহানি      ● শ্রমিকদের বিক্ষোভে রাষ্ট্রবিরোধী চক্র যুক্ত হতে পারে: পুলিশ      ● শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী      
আবহাওয়া
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, উপকূলে আঘাতের শঙ্কা
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে। রোববার (১ নভেম্বর) নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

‘মুরাসু’ একটি তামিল শব্দ। এর অর্থ ঢোল বা রণঢাকজাতীয় বাদ্যযন্ত্র। প্রাচীনকালে দুর্যোগের সতর্কবার্তা, গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা কিংবা যুদ্ধের সংকেত দিতে এ ধরনের বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হতো।

সঙ্গম সাহিত্য ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, মুরাসু প্রধানত তিন ধরনের। এর মধ্যে ‘বীরা মুরাসু’ যুদ্ধের সংকেত দিতে ব্যবহৃত হতো। ‘ত্যাগা মুরাসু’ উপহার দেওয়া কিংবা দরিদ্রদের খাদ্য ও সামগ্রী বিতরণের আহ্বান জানাতে বাজানো হতো। আর ‘ন্যায় মুরাসু’ ব্যবহার করা হতো বিচারকার্য পরিচালনা ও জনগণের অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে। ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছে ভারত।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ১ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিম ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছিল। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর সকালের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

এরপর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর রাত থেকে ৩ নভেম্বর ভোরের মধ্যে নেল্লোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী এলাকায় দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, উপকূলে আঘাত হানার সময় ঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ওড়িশায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সেখানে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীসহ (এনডিআরএফ) বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২ নভেম্বর থেকে ওড়িশায় বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। ৩ ও ৪ নভেম্বর বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  ঘূর্ণিঝড় মুরাসু   উপকূল  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আবহাওয়া- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close