ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের রামপুরা থানা এলাকায় এক ব্যক্তির হাত বাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালের দিকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত হাসান ভূঁইয়ার (৪৩) বড় ভাই নাসির ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, পারিবারিক কলহের জেরে তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মিলা তাকে হত্যা করেছেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
তিনি জানান, তার ছোট ভাই প্রেমের সম্পর্ক করে ছয় বছর আগে মিলাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে পরিবারের সাথে হাসানের কোনো যোগাযোগ ছিল না। তাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
‘গতকাল সকালে জানতে পারি, হাসান গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, তার গলায় ফাঁস লাগানো থাকলেও হাত দুটি পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল। বাসার ছাদের পানির ট্যাংকির পাইপের সাথে গলায় রশি ও হাত বেঁধে হাসানকে তার স্ত্রী হত্যা করেছেন বলে আমরা ধারণা করছি। এই ঘটনায় হাসানের স্ত্রী মিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।’
নাসির ভূঁইয়া বাদী হয়ে রামপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ নিয়ে মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আল আমিন বলেন,
‘হাসান ভূঁইয়া নামে একজনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধারের সময় তার হাত পেছন দিক থেকে বাঁধা ছিল। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। নিহতের বড় ভাই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।’
‘পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত করছে।’
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
কেকে/এমএ