রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬,
৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় স্কুলশিক্ষকসহ চারজনকে হত্যা      সাংবিধানিক নিয়মেই হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী      বঙ্গভবনে উঠেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি      নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনি পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী      তরুণদের প্রশিক্ষণ দিতে ৬৮৩ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প সরকারের      প্রতিবেশী দেশগুলোকে ইরানের হুঁশিয়ারি      সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      
জাতীয়
জেনারেল এমএজি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম আপডেট: ১৬.০২.২০২৬ ২:৪৭ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী–এর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৫ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। সিলেটে হযরত শাহজালাল রহ.–এর মাজারসংলগ্ন কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। 

দিনটি উপলক্ষে তার জন্মস্থান সিলেট ও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় ঢাকায় রাওয়ার হেলমেট হলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া ওসমানী ১৯৩৯ সালে ভূগোলে এমএ প্রথম পর্বে পড়ার সময় ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৪০ সালের ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি থেকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি কমিশন লাভ করেন। ১৯৪১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পান এবং ১৯৪২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সর্বকনিষ্ঠ মেজর হিসেবে ইতিহাস গড়েন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হয়ে তিনি নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মিয়ানমার রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহন ইউনিটের প্রধান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে আইসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও সামরিক জীবনেই সক্রিয় থাকেন। ভারতবর্ষ বিভক্তির পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৫৫ সালে তাকে পাকিস্তান সেনাসদরের অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল স্টাফ অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরের বছর কর্নেল পদে উন্নীত হয়ে ডেপুটি ডাইরেক্টরের দায়িত্ব নেন। এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক জোট সিয়াটো ও সেন্টোতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৫ সালের পাক–ভারত যুদ্ধে তিনি ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের দায়িত্বে থেকে দক্ষতার পরিচয় দেন। স্বাধীনচেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ওসমানী ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্নেল পদে অবসর নেন।

পরবর্তী সময়ে ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ–বালাগঞ্জ–বিশ্বনাথ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি অসামান্য নেতৃত্ব দেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে অতুলনীয় ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এই বীর সেনানায়ক।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  এমএজি ওসমানী   মৃত্যুবার্ষিকী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close