সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      দীর্ঘ হচ্ছে হামে মৃত্যুর মিছিল      ডুবল ঢাকা ভুগল মানুষ      
রাজধানী
রুমমেটকে খুনের পর সাত টুকরো, শাহিনের ‘দোষ স্বীকার’
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ঢাকার মতিঝিলে মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহকে খুনের পর লাশ সাত টুকরো করার মামলায় তার রুমমেট শাহিন আলম আদালতে ‘দোষ স্বীকার’ করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) ৫ দিনের রিমান্ড চলাকালে শাহিন জবানবন্দি দিতে ‘সম্মত হওয়ায়’ তাকে আদালতে হাজির করে তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহরিন হোসেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রুকনুজ্জামান জানিয়েছেন।

গেল সোমবার (২ মার্চ) শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন আদালত।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কয়েক জায়গা থেকে ওবায়দুল্লাহর দেহের কয়েকটি খণ্ডিত অংশ উদ্ধারের পর শাহীনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন হত্যার কথা ‘স্বীকার করেন’। এ ঘটনায় ওবায়দুল্লাহর পিতা হামিদ মিয়া রোববার মতিঝিল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ওবায়দুল্লাহ বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করতেন। চাকরির সুবাদে ঢাকার মতিঝিলের কমলাপুর কবি জসীম উদ্দিন রোডের একটি চিলেকোঠায় দুই রুমের একটি মেসে শাহীন আলমসহ ভাড়া থাকতেন।

অভিযোগে বলা হয়, শাহিন আলমের সাথে ওবায়দুল্লাহর বিভিন্ন ব্যাপারে ‘মনোমালিন্য; ছিল। মাঝেমধ্যে তাদের ঝগড়াও হত। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা ৪৩ মিনিটের দিকে ছোট ভাই জলিলের সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর মোবাইল ফোনে সবশেষ কথা হয়। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্টন থানাধীন আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের বিপরীত পাশে কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি বিচ্ছিন্ন পা, বায়তুল মোকারম মসজিদের পূর্ব গেটের পাশে বিচ্ছিন্ন দুইটি হাত এবং শাহজাহানপুর থানাধীন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশে আরেকটি বিচ্ছিন্ন পা পাওয়া যায়।

পরে পুলিশ হাত থেকে আঙুলের ছাপ যাচাইয়ের মাধ্যমে ওবায়দুল্লাহর পরিচয় শনাক্ত করে। ওবায়দুল্লাহর ভাড়া মেসের ঠিকানা পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। সেখানে গিয়ে একটি রক্তমাখা ধারালো চাপাতি ও সিসি ক্যামেরার ভিডিও পর্যালোচনা করে একটি বাইসাইকেল উদ্ধার করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ওবায়দুল্লাহকে খুন করে লাশ গুম করার জন্য মৃতদেহ খণ্ড খণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার কথা শাহিন ‘স্বীকার করেন’ বলে পুলিশের ভাষ্য।

পুলিশ যাত্রাবাড়ীর থানাধীন মাতুয়াইল বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্র থেকে ওবায়দুল্লাহর বিচ্ছিন্ন মাথা, সাভারের আমিনবাজার সালেহপুর ব্রিজের নিচে তুরাগ নদী থেকে শরীরের মূল একাংশ উদ্ধার করে।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  রুমমেট   খুনের পর টুকরো   দোষ স্বীকার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

রাজধানী- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close