রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে রোজা রাখা শুধু একটি ফরজ ইবাদতই নয়, বরং এর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে এবং অসংখ্য সওয়াব অর্জনের সুযোগ পায়। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, রমজানের প্রতিটি দিন ও রাতের আলাদা আলাদা ফজিলত রয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসের ১৮তম রোজার গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক। হাদিসে এসেছে, এ দিনে রোজাদার এবং তার মা–বাবার প্রতি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির সুসংবাদ প্রদান করা হয়।
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসে বিশেষ কিছু দোয়া পাঠ করতেন।
বিভিন্ন গ্রন্থে উল্লেখ আছে, ১৮ রমজানের দিন আল্লাহ তাআলা রোজাদারের প্রতি বিশেষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং তার মা–বাবার প্রতিও রহমত বর্ষণ করেন।
হাদিস শরীফে আরও এসেছে, হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন—রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রমজানের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং আল্লাহর রহমত বান্দাদের প্রতি অবতীর্ণ হতে থাকে।
ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, রমজানের প্রতিটি রোজা শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের একটি মহৎ সুযোগ। তাই এ মাসে বেশি বেশি ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও দান–সদকা করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মনে করেন, রমজানের প্রতিটি দিনের ফজিলত উপলব্ধি করে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং নেক আমলে নিজেকে নিয়োজিত রাখাই একজন রোজাদারের জন্য সর্বোত্তম পথ।
কেকে/ এমএস