মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর       কোনো রোগী যেন চিকিৎসার অভাবে দুর্ভোগে না পড়ে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী      রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      
ধর্ম
আজ থেকে অনন্য ফজিলতের ইতিকাফ
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

শুরু হয়েছে ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র রমজান মাসের ইতিকাফ। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যার আগেই মসজিদে ঢুকে টানা ১০ দিন মসজিদে অবস্থান করেছেন মুসল্লিরা। এ সময় তারা নামাজ, তিলাওয়াত, জিকির, দোয়াসহ বিভিন্ন আমলে নিমগ্ন থাকবেন। ঈদুল ফিতরের আগের দিন সূর্যাস্তের পর নতুন চাঁদ দেখে তারা ইতিকাফ সম্পন্ন করবেন এবং মসজিদ থেকে বের হবেন।

ইতিকাফ ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশের মসজিদগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিকাফকারী মুসল্লিদের থাকার জন্য মসজিদের ভেতরে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুসল্লিরা নিজ ঘর থেকে বিছানা, বালিশ, মশারিসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। তা ছাড়া ইফতার ও সাহরিসহ অন্য খাবার সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখছেন অনেকে।
 
ইসলামী শরিয়াহ অনুসারে, রমজান মাসের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাদা কিফায়া। অর্থাৎ মহল্লার অন্তত একজন তা আদায় করলে সবাই দায়মুক্ত হবে। অন্যথায় সবাই গুনাহগার হবে। 

ইতিকাফ আরবি শব্দ। এর অর্থ অবস্থান করা। নিজেকে আল্লাহমুখী করাই এর মূল উদ্দেশ্য। সাধারণ জীবনে মানুষ নিজের সংসার, ব্যবসা-বাণিজ্য, দায়িত্ব, কর্তব্য ও নানা চিন্তায় নিমগ্ন থাকে। ইতিকাফ তাকে সাময়িকভাবে সব ব্যস্ততা থেকে মুক্ত করে আল্লাহ তাআলার সান্নিধ্যে নিয়ে আসে। এ সময় ইতিকাফকারী ব্যক্তি তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া, নফল নামাজসহ বিভিন্ন আমলে নিজেকে নিমগ্ন রাখেন। ফলে অন্তর পরিশুদ্ধ হয়, তাকওয়া বৃদ্ধি পায় এবং মহান রবের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় ও মজবুত হয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইতিকাফের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন। ইতিকাফ ছিল নবীজির নিয়মিত আমল। সাহাবায়ে কেরামও গুরুত্বের সঙ্গে ইতিকাফ পালন করেছেন। আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রত্যেক রমজানে শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২০৪৪)

অন্য হাদিসে ইতিকাফকারীর জন্য হজের সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে এসেছে, হোসাইন ইবনে আলি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেন, ‘রমজানের শেষ দশকে যে ব্যক্তি ইতিকাফ করবে, সে দুটি হজ অথবা ওমরার সওয়াব পাবে।’ (শুআবুল ইমান, হাদিস : ৩৯৬৬)

আরেকটি হাদিসে এসেছে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় ইতিকাফ করবে, তার পেছনের সব (ছগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (জামে সগির, হাদিস : ১২২৩০)

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ইতিকাফ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ধর্ম- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close