মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট      তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা      ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      
জাতীয়
তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও তামাকপণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বহালের আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৩ পিএম আপডেট: ০১.০৪.২০২৬ ২:১৯ পিএম
ছবি: প্রতিবেদক

ছবি: প্রতিবেদক

তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ থেকে ই-সিগারেট এবং বিক্রয়স্থলে (পয়েন্ট অব সেল) তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বাদ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। 

যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো জানায়, ই-সিগারেটের মতো ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এটি তরুণদের নিকোটিন আসক্তির অন্যতম মাধ্যম (গেটওয়ে) হিসেবে কাজ করে। 

একইভাবে, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের তামাক ব্যবহারে প্রলুব্ধ করে এবং এই ক্ষতিকর পণ্য ব্যবহার বিশেষভাবে উৎসাহিত করে।

তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ ধারা দুটি অধ্যাদেশ থেকে বাদ দেওয়া হলে তামাক নিয়ন্ত্রণে দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে এবং কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী মৃত্যুবিপণনের পথ আরো সুগম হবে। এটি তামাক নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালীকরণের বিষয়ে বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘ধারা দুটি অবিলম্বে পুনরায় যুক্ত করার জন্য আমরা সরকার এবং সংসদকে আহ্বান জানাচ্ছি। জনস্বাস্থ্য এবং তরুণদের নিকোটিন আসক্তি থেকে সুরক্ষার বিষয়টি অবশ্যই সংকীর্ণ মুনাফা স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনে স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা। তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের চেয়ে এই ক্ষতি দ্বিগুণেরও বেশি। 

বর্তমানে ৩৫.৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করছেন। এই পরিস্থিতিতে শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করা না হলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব আরও বাড়তে থাকবে।

বিবৃতি প্রদানকারী তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো হলো- অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডরপ, নারী মৈত্রী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পিপিআরসি, তাবিনাজ এবং প্রজ্ঞা।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  তরুণদের সুরক্ষা   ই-সিগারেট   তামাকপণ্য প্রদর্শন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close