বৈশাখী শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বর্নিল আয়োজনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈশাখের দ্বিতীয় দিন উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলা ২রা বৈশাখ, কতৃপক্ষের আয়োজনে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে বর্নাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে শোভাযাত্রাটি বাংলা মঞ্চে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে বাংলা বিভাগের আয়োজনে বাংলা মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শোভাযাত্রায় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বৈশাখ মানে সাম্প্রদায়িক-অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে সবাই একসঙ্গে চলা। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা দেখি বৈশাখের প্রথম দিনেই বিভিন্ন বিভাগ থেকে অনেক আয়োজন থাকে। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটি দ্বিতীয় দিনে হচ্ছে। বিষয়টি আমার কাছে কিছুটা বিব্রতকর লাগলেও উৎসব হচ্ছে ভেবে ভালো লাগছে। আশা করছি পরবর্তীতে আমরা আরও ভালো কিছু পাব প্রশাসনের পক্ষ থেকে।’
বাংলা মঞ্চে বাংলা বিভাগ আয়োজিত সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণাকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘বৈশাখ আসে পুরনোকে ঝেড়ে ফেলে নতুনকে জাগ্রত করার জন্য। এইজন্যে আমরা বৈশাখে নব আনন্দে উদ্বেলিত হই। বর্ষবরণ বাঙালি সংস্কৃতির সাথে অবিচ্ছদ্যভাবে জড়িত, অবহমানকাল ধরে তা চলে আসছে। বৈশাখকে আমরা আমাদের জীবন থেকে মুছে দিতে পারব না। বাংলাদেশে এমন কোনো কবি নেই, যার কবিতায় বৈশাখ না-এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই নতুন আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নতুনের পতাকায় শামিল হবো । বৈশাখ আমাদের হৃদয়ে নতুন জীবনের বাঁশি বাজায়, আমাদের স্বপ্ন-সাধকে জাগ্রত করে।’ উপস্থিত সকলকে তিনি নতুনের শপথ নেয়ার আহ্বান জানান।
কেকে/ এমএস