বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬,
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর      সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে গ্রেপ্তার নয়, হাইকোর্টের এমন আদেশ স্থগিত      মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী      নিরাপদ খাদ্য কার হাতে      ইয়াবার ভয়াবহ থাবায় বাংলাদেশের তরুণরা      আজ সারাদেশে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ      জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩      
প্রিয় ক্যাম্পাস
বৈবিছাআ নেতা বাঁধনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইবি প্রশাসনকে অনুরোধ বিভাগীয় সভাপতির
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৯ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

একাডেমিক কার্যক্রমে অসহযোগিতা, একাধিকবার ফরম পূরণের তারিখ পেছাতে বাধ্য করাসহ নানান অযাচিত আচরণের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) যুগ্ম সদস্য সচিব বাধন বিশ্বাস স্পর্শর বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ইবির সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি। 

সম্প্রতি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে বাঁধন বিশ্বাসের কার্যকলাপে একাডেমিক পরিবেশ ও কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি জানান।

নিজ বিভাগের কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে নিহত সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার পরে এবং বিভাগের বাকি দুজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হওয়ায় গত ৭ মার্চ বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলিকে সসমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় প্রশাসন।

সভাপতি হিসেবে যোগদান করার পর থেকেই একাডেমিক কার্যক্রমে বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অসহযোগিতামূলক আচরণ প্রত্যক্ষ করে আসছেন উল্লেখ করে বিভাগীয় সভাপতি বলেছেন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ রিটেক পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ তার অসহযোগিতার জন্য একাধিকবার পরিবর্তন করতে হয়েছে। যে কারণে যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু করতে পারিনি। পরবর্তীতে তার সুবিধামত সময়ে ফরম পূরণ করলেও শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি ব্যাংকে জমা দিয়েছে। বিভাগীয় ফি জমা দেয়নি এবং এ জন্য বিভাগীয় সভাপতি বরাবর আবেদন করে বিভাগীয় ফি মওকুফ চাওয়ার কোনো প্রয়োজনও বোধ করেনি। এটা সুস্পষ্টই বিভাগীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের ঔদ্ধত্যমূলক প্রয়াশ।

এতে আরও বলা হয়েছে, অধিকন্তু তার ব্যাচের এক সহপাঠী অসুস্থ থাকার কারণে তাকে রিটেকের ফরম পূরণের জন্য টাকা পাঠিয়ে দেয় এবং বাঁধন তার ফরম পূরণ করে দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও যথাসময়ে তা করেনি। এ নিয়ে ঐ ছাত্রীর সাথেও তার ঝামেলা তৈরী হয়। ঝামেলার চূড়ান্ত পর্যায়ে সেই ছাত্রী পরীক্ষা দিতে আসলে সে দেখে নিবে বলেও হুমকি দেয়। অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে বাঁধন প্রায়শ তর্ক-বির্তক ও অপ্রাসঙ্গিক বাক্যালাপ করে থাকে। বিভাগের একাডেমিক ও দাপ্তরিক বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য করাসহ তার মধ্যে পরামর্শকের ভূমিকা পালনের প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়, যা একজন ছাত্রের জন্য কোনোভাবেই শোভনীয় নয় এবং সুস্পষ্টভাবে একাডেমিক শৃংখলা ভঙ্গের শামিল।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, বিভাগীয় সভাপতির প্রেরিত চিঠিটি ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়ের নজরে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। এখন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:   ইবি প্রশাসন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

প্রিয় ক্যাম্পাস- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close