রোববার, ৯ আগস্ট ২০২৬,
২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী      ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৭২      মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী, ঘোষণা বুধবার      যারা শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী      হাম উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৬৩      হেফাজত আমিরের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ      ভোটার বেড়েছে তিন লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন      
খেত খামার
২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে জাম
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:৫৬ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরের বিভিন্ন হাট-বাজারে মৌসুমি ফল জাম বিক্রি হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন ফলের বাজারে দেশীয় ফলের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফল। মৌসুমি ফল জাম বাজারে ওঠায় এর দাম তুলনামূলক বেশি।

একদিকে বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুমি ফল জামের দাম ধীরে ধীরে কমে যাবে। অন্যদিকে ক্রেতাদের দাবি, মৌসুমি ফল জাম পাকার পর মাত্র কয়েক দিন ভালো থাকে, তাই এর দাম কম হওয়ার সুযোগ নেই।

সরেজমিনে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমি ফল আম, কাঁঠাল, লিচু, জামরুল, গাবসহ বিভিন্ন দেশীয় ফল বিক্রি হচ্ছে। তবে কালো জাম আকার ও মানভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে। কেউ বিক্রি করছেন ২০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে।

সুমন নামে এক জাম বিক্রেতা বলেন, “ফরিদপুর জেলায় এখন আর তেমন জামগাছ দেখা যায় না। আর যে দু-একটি জামগাছ আছে, সেগুলোতেও তেমন ফল ধরে না। অনেক কষ্ট করে গাছে উঠে মাত্র ৫ কেজি জাম পেড়ে এনেছি। ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। গতকালও বাজারে এনেছিলাম, এক ঘণ্টার মধ্যেই সব বিক্রি হয়ে গেছে।”

জাম কিনতে আসা হান্নান শেখ বলেন, “গ্রীষ্মের নতুন ফল জাম। এই ফলটি খুব সুস্বাদু ও রসালো। মধুমাস চললেও অন্যান্য ফলের তুলনায় জামের সরবরাহ খুব কম। তাই দাম বেশি। বাধ্য হয়ে ৩৫০ টাকা কেজি দরে ১ কেজি জাম কিনলাম।”

বোয়ালমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভীর রহমান বলেন, “জাম একটি সুস্বাদু ও রসালো ফল। অন্য সব মৌসুমি ফলের তুলনায় এ ফলের সংরক্ষণকাল কম হলেও পুষ্টিগুণে এটি অতুলনীয়। জামে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। এজন্য এটি শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ করে এবং একই সঙ্গে ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতি বছর কৃষি অফিস থেকে অন্যান্য গাছের সঙ্গে মানুষের মাঝে রোপণের জন্য জামগাছের চারা বিতরণ করে থাকি।”

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  জাম  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খেত খামার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close