বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬,
১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ      এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সাইবার নিরাপত্তা: তথ্যমন্ত্রী      ডিএমপির আওতায় আসছে পূর্বাচল, ৪টি থানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত       জাল সনদে এমপিও ভোগী ১৩ শিক্ষকের বেতন বন্ধ      পাহাড় ধসের শঙ্কায় লাখো রোহিঙ্গা      এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আগামীকাল, সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্র      সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস, অনলাইন বেটিংয়ে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা      
জাতীয়
জুলাই শহীদ পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৯:০৭ পিএম আপডেট: ১৩.০৬.২০২৬ ৬:৩৭ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বপূর্ণ অবদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অভ্যুথানের শহীদ পরিবার ও আহত ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য বিশেষ মাসিক ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন বাজেটে। 

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবনা পেশ করেন। 

বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার নথি থেকে জানা গেছে, আন্দোলনে শহীদদের প্রতিটি পরিবার ও আহতদের জখমের তীব্রতা অনুযায়ী ৩টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে এই ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের প্রতিটি পরিবারকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা হারে সম্মানি ভাতা দেওয়া হবে। একই সাথে সবচেয়ে গুরুতর আহত অর্থাৎ ‘এ’ ক্যাটাগরির যোদ্ধারাও পাবেন মাসিক ২০ হাজার টাকা। এছাড়া আন্দোলনে মাঝারি ধরনের গুরুতর আহত অর্থাৎ ‘বি’ ক্যাটাগরির যোদ্ধাদের জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা এবং সাধারণ বা তুলনামূলক কম গুরুতর আহত ‘সি’ ক্যাটাগরির যোদ্ধাদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আর্থিক ভাতার পাশাপাশি গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বড় ধরনের করছাড়ের ঘোষণা দিয়ে সাধারণ নাগরিকদের চেয়ে তাদের করমুক্ত আয়ের সীমা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে পেশ করা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত মেগা বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার ফলে সামগ্রিক বাজেটে নিট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা (যার মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা) এবং বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই ৫৫তম বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এটিই প্রথম বাজেট। 

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি বিশেষ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং পরবর্তী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানান। আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই অর্থবছর কার্যকর হবে।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  জুলাই শহীদ পরিবার   মাসিক ভাতার প্রস্তাব  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close