মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬,
২ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সম্পর্কোন্নয়নে অনাগ্রহী ভারত      সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব      বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’      ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা      ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ: শিক্ষামন্ত্রী      দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন তথ্য উপদেষ্টা      
খোলাকাগজ স্পেশাল
সম্পর্কোন্নয়নে অনাগ্রহী ভারত
রবিউল ইসলাম
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪৪ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক হিসেবে বিবেচিত হয় বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক। ভৌগোলিক নৈকট্য, ঐতিহাসিক সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার কারণে দুই দেশের সম্পর্ক বহুস্তরীয় ও কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে। অতীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতাও কমবেশি হয়েছে। মাঝে-মধ্যে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে ভারতের একচোখা নীতির কারণেই সম্পর্কে ছেদ পড়েছে। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি গভীর সম্পর্ক ছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর এই সম্পর্ক স্থবির হয়ে পড়ে। এরপরও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করেনি ভারত। তারা একটি দলকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। এখনো তারা সেই ধারা অব্যাহত রেখেছে। কারণ, গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী ভারতে অবস্থান করছেন। তাদের বিষয়ে ভারত যেন নমনীয়।

এর মধ্যে চব্বিশের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সবচেয়ে খারাপ সময় পার করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। তবে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ভারত নিজ থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার আভাস দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। আর এই চিত্রগুলো পরিষ্কার করছে, ভারত মুখে সুসম্পর্কের কথা বললেও আদতে তারা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে খুব বেশি আগ্রহী নয়। তারা মূলত সম্পর্কের নামে বাংলাদেশকে চাপে রাখতে চায়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অন্য সব বিষয়ের মতো সীমান্তে নতুন অস্থিরতা শুরু করে ভারত। কথিত বাংলাদেশি বলে নাগরিকদের একের পর এক বাংলাদেশে ঠেলে (পুশইন) দেয়। সে সময় কয়েক হাজার নাগরিককে তারা বাংলাদেশে পুশ করে। তার মধ্যে সরাসরি ভারতের কিছু নাগরিককেও তারা বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। সীমান্তে গুলি বাড়িয়ে দেয়। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে তারা নতুন উদ্যোগ নেয়। কিন্তু আশা করা হচ্ছিল, জাতীয় নির্বাচনে দলীয় সরকার ক্ষমতায় এলে ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নীতিতে চলবে। কিন্তু তাদের একের পর এক ঘটনায় সেই আশায় গুড়ে বালি। সীমান্তে তারা কোনো আইন-কানুন মানছে না। দিনে-রাতে পুশইনে তারা মরিয়া হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি ভারতে সীমান্ত সম্মেলন চলাকালেও তারা পুশইনের অপচেষ্টা চালিয়ে গেছে। এখনো তারা সেই ধারা অব্যাহত রেখেছে। অথচ মুখে মুখে বলছে, বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা ঐতিহাসিক সম্পর্ক তারা এগিয়ে নেবে।

সবশেষ কূটনৈতিক পত্র দিয়ে আগাম অবহিত করার পরও গত রোববার সন্ধ্যায় ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দিয়েছে। পরে উচ্চ মহলের নির্দেশে অনুমতি দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে প্রবেশ না করে কলম্বো হয়ে ঢাকা ফেরেন। ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বঢেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে।

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব :

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে রোববার দিল্লির বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বঢেকে গতকাল সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। তাতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানান, দিল্লির ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এই পরিস্থিতিতে কেন এমন ঘটনা ঘটল এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে যা হয়েছে, তা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার বিস্তারিত খবর নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট উইং।

উল্লেখ্য, সোমবার থেকে দিল্লিতে ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল জাহেদ উর রহমানের।

সীমান্তে ১৫ বছরে ৬ শতাধিক বাংলাদেশি হত্যা করেছে বিএসএফ :

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিএসএফের গুলিতে ও নির্যাতনে অন্তত ৬০৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অধিকার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার মতে, ২০০৯ থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিএসএফ সদস্যদের হাতে অন্তত ৫৮২ বাংলাদেশি নিহত এবং ৭৬১ জন আহত হয়েছে। প্রতি মাসেই একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে বিএসএফ। সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে ভারতকে। সম্প্রতি বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে সীমান্ত সম্মেলন বা পতাকা বৈঠক হয়েছে। সেখানে সীমান্তে আর গুলি চালানো হবে না—এমন প্রতিশ্রুতি দেয় বিএসএফ। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি আর রক্ষা হয় না। একদিকে বৈঠক হয়, আরেক দিকে তারা গুলি চালায়। এসব হত্যাকাণ্ডের একটিরও বিচার হয়নি। এমনকি বিএসএফ বা ভারত সরকার হত্যাকাণ্ডের কোনো ঘটনায় কখনো উদ্বেগও প্রকাশ করেনি। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জবাবদিহির বাইরে থাকার কারণেই মূলত সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক আইন কোনো বাহিনীকে বিশ্বের কোথাও নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের গুলি বা নির্যাতন করার অনুমতি দেয় না। তাই এই মুহূর্তে সুষ্ঠু সমাধান জরুরি। কারণ, বিজিবির গুলিতে তো কেউ মারা যাচ্ছে না।

সীমান্তে একের পর এক পুশইন :

বিভিন্ন মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, গত বছরের মে মাস থেকে পরবর্তী আট মাসে বিএসএফ প্রায় ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ জনের মতো মানুষকে বাংলাদেশে পুশইন করেছে। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই বাংলাদেশি নাগরিক। এর পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভারতীয় নাগরিক ও রোহিঙ্গা নাগরিকও রয়েছেন। এরপর গত ঈদুল আজহার ছুটির পর থেকে আবারও সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসএফ। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে কোনো সীমান্তে তারা সফল হতে পারছে না। কোনো আহ্বানও তারা শুনছে না। আইনও মানছে না।

পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু ক্ষমতায় আসার পর টানাপড়েন :

সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের ২৬ সদস্যের গণমাধ্যমের একটি প্রতিনিধি দলের সফরকালে সে দেশের সরকারসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বক্তব্যে তারই প্রতিফলন ঘটেছে। কিন্তু সম্প্রতি ভোটের মাধ্যমে বিজেপির কট্টর বাংলাদেশবিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি নতুন সমীকরণের মুখোমুখি হয়েছে। অনেকে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদল দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ সম্পর্কিত তার কিছু পদক্ষেপ ও বক্তব্য বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে, যেগুলো দুই দেশের সম্পর্ককে শীতল বা উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে।

আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে হামলা :

২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে উগ্রপন্থী সংগঠনের সদস্যরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা হাইকমিশন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে অবমাননা করে। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত সরকার দুঃখ প্রকাশ করে নিরাপত্তা জোরদার করে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মিশনটিতে পুনরায় ভিসা ও কনস্যুলার সেবা চালু হয়।

দরকার পারস্পরিক আস্থা, সমতা ও সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি :

ভারত সুসম্পর্কের বিষয়ে যতই আন্তরিকতা দেখাক না কেন, তা অনেকাংশে নির্ভর করবে পারস্পরিক আস্থা, সমতা, জনগণের স্বার্থ এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। এই দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে সংবেদনশীল বিষয়গুলো রয়েছে, সে ব্যাপারে উভয় পক্ষ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও নির্ভর করবে। এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করতে হলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন ব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু সমাধান, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবিলায় একে অপরকে সহযোগিতা করা এবং ভারতের ক্ষমতাসীন দলের অভিবাসনসংক্রান্ত রাজনীতি বন্ধ করা জরুরি। বিশেষ করে ওপারের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য এবং নেতিবাচক কর্মকাণ্ড বন্ধে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। তাহলেই পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।

সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং অতীতনির্ভর সম্পর্কের জায়গায় নতুন মেরুকরণ তৈরি হওয়ায়, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন কিছুটা স্থবির ও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সৃষ্ট অস্থিরতা, ভিসা সীমিতকরণ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দৃশ্যমান আস্থার সংকট বা টানাপড়েন চলছে।

এর মধ্যে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে ভারতের নতুন অধ্যায় শুরুর আরেকটি পদক্ষেপ সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ। অথচ তিনি যেদিন ঢাকায় আসেন, সেদিনও সীমান্তে গুলি চালিয়ে এক বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বিএসএফ। সার্বিকভাবে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী হলেও বর্তমান বাস্তবতায় আস্থার ঘাটতি ও কিছু অমীমাংসিত রাজনৈতিক সমস্যাই মূলত সম্পর্ককে একটি জটিল পর্যায়ে দাঁড় করিয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সীমান্ত হত্যাকাণ্ড, পুশইন বা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়াসহ এসব বিষয় উদ্বেগের ও দুশ্চিন্তার। হত্যাকাণ্ডের স্থানটি নির্ধারণ হলেই বেশ কিছু বিষয় সামনে চলে আসবে। নো ম্যানস ল্যান্ড অতিক্রম করার আগেই অপর পাশ থেকে গুলি আসে কি না, এটা চিহ্নিত করা জরুরি। সীমান্তে প্রবেশ করলেও সরাসরি নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করার বিধান নেই।

এ বিষয়ে ........

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভারত   ম বাংলাদেশ   সম্পর্ক  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close