শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬,
৭ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ মির্জা ফখরুলের      প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হলেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত      কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন শপথ নেওয়া ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী      আপনার সাথে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি : মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতি      রাষ্ট্রপতির শপথ শেষে বঙ্গভবন ছাড়ছেন অতিথিরা      মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মঈন খান, মিল্লাত, পার্থ ও সাচিং প্রু      নতুন রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে উঠবেন রোববার      
দেশজুড়ে
যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন, ৩০ মিটার বাঁধ বিলীন
এইচ এম আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশ: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ২:২২ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামে নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সোমবার (২২ জুন) সকালে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, গত ৮ জুন থেকে যমুনা নদীতে পানি বাড়া শুরু হয়। কখনও কমছে আবার কখনও বাড়ছে। এখন বর্ষা মৌসুম। পানি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় মাত্র ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদ সিমার ২৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত শনিবার দুপুরে ৩০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে বাঁধ ভাঙা আতঙ্ক বিরাজ করছে। হুমকির মুখে পড়েছে ফসলিজমি ও বসতভিটা। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছে। এছাড়া জেলার চৌহালী উপজেলায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে নদীর তীরবর্তি নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি ধিরে ধিরে প্রবেশ করছে।

সদর উপজেলারর বাহুকা গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, দুপুরে আমি বাঁধের ওপরে জমিতে কাজ করছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে নদীর ডান তীরের ব্লক ধসে পড়তে শুরু করে এবং বিশাল এলাকা মুহূর্তের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে খবর দেওয়া হয়।

স্থানীয় হেলাল উদ্দিন বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে জমিজমা যা আছে নদীর পেটে চলে যাবে। আমি নিঃস্ব। বাড়িঘর যা কিছু ছিল সব নদীতে গেছে। কোনমতে বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছি। আবার ভাঙলে যাব কোথায়।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে বালুর বস্তা ফেলা শুরু করা হয়েছে। এতে আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। আমরা কাজ করছি। বর্তমানে ভাঙন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close