যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় গোপনে চিংড়া ধর্মপুর দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার গভর্নিং বডির কমিটি গঠনের প্রতিবাদ করায় মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সোমবার (২৯ জুন) কেশবপুর প্রেস ক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ প্রতিবাদ জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাদ্রাসার দাতা সদস্য আব্দুল হামিদ বলেন, ‘কেশবপুরের চিংড়া ধর্মপুর দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অতি গোপনে আইন না মেনে গভর্নিং বডি গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছেন। গভর্নিং বডিতে যাদের নাম উল্লেখ করেছেন, তারা নিজেরাই জানেন না যে তার নাম কমিটিতে রাখা হয়েছে। পূর্বের অপকর্ম ঢেকে রাখতে অধ্যক্ষ ও অফিস সহকারী তাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য মনগড়া কমাটি তৈরি করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে গভর্নিং বডি গঠনের বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক, দাতা সদস্য ও এলাকাবাসী জানতে পারেন। গত রোববার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাফেজ মো. রাহাজ উদ্দিন, দাতা সদস্য আব্দুল হামিদ, অভিভাবক কবিরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান এলাকাবাসীর পক্ষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলামের কাছে গভর্নিং বডি সক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে না পারেননি।
আব্দুল হামিদ বলেন, ‘সিরাজুল ইসলাম কৌশলে বহিরাগত চিংড়া গ্রামের ইকবাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, রিজাউল ইসলাম, ফারুক হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে ডেকে এনে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে সম্মানহানী করে। এমনকি অধ্যক্ষ নিজেই তার টেবিলে থাকা মগ দিয়ে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাহাজ উদ্দীনকে মারতে যান। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দিতে গেলে সেখানেও আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে হেনস্তা করে তারা।’
তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী কমতে শুরু করেছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাবে।’
প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে আব্দুল হামিদ ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ রাহাজউদ্দীন, মুহসিন উদ্দীন, হাবিবুর রহমান, কবিরুল ইসলাম, আব্দুস সবুর।
কেকে/এমএ