সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: গুমে শাস্তি যাবজ্জীবন, মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন      হামে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১০৮০      পুলিশ টিমকে একসঙ্গে চা বা বিশ্রামে না যাওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ডিএসইর গণছাঁটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি কর্মকর্তাদের      দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী      অনুসন্ধানে অবহেলার মাশুল দিচ্ছে দেশ      আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না : ট্রাম্প      
শিক্ষা
গণতন্ত্র কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়; এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া : ইমরান মতিন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) ‘স্টেট অ্যান্ড ফিউচার অব ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে বাংলাদেশের গণতন্ত্র বর্তমানে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, এ পর্যন্ত কতদূর এগিয়েছে এবং এখনও কতদূর যেতে হবে তা পর্যালোচনা করা হয়। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘রিটার্ন অব ইলেক্টোরাল ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ: রিফ্লেকশনস অ্যান্ড লার্নিংস ফ্রম ২০২৬’। 

সম্মেলনে ঐতিহাসিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তৃত, একাডেমিক ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের মূল ভাবনা ছিল নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়; বরং এটি একটি নতুন যাত্রার সূচনা। তাই নির্বাচনি গণতন্ত্র কী কী অর্জন করেছে, তা উদযাপনের পাশাপাশি কোন কোন ক্ষেত্র এখনও সুরক্ষিত ও সুসংহত করা প্রয়োজন, সে বিষয়ে গভীর পর্যালোচনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। 

দিনব্যাপী বিভিন্ন অধিবেশনে বিআইজিডি তাদের গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক উত্তরণের বর্তমান অবস্থা, এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি এবং এ প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে কী প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা করে।  

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান মতিন বলেন, ‘গণতন্ত্র কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়; এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত, গণতন্ত্র মূলত একটি নকশা। প্রতিটি সমাজকেই প্রয়োজনে গণতন্ত্রকে পুনর্বিবেচনা ও পুনর্কল্পনা করতে হয়। তাই জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে বাস্তবতায় নতুনভাবে ভাবা এবং রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে উঠতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করাই আমাদের উদ্দেশ্য।’

সম্মেলনের শুরুতে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের গতিপথ নিয়ে মূল বক্তব্য দেন বিআইজিডির গভর্নেন্স অ্যান্ড পলিটিক্স ক্লাস্টারের অ্যাডভাইজার ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. মির্জা এম. হাসান। এরপর তিনটি বিষয়ভিত্তিক অধিবেশনে ২০২৬ সালের নির্বাচনের বিভিন্ন দিক, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিবর্তিত ভূমিকা এবং ভবিষ্যতের গণতন্ত্রের জন্য কী ধরনের পরিবর্তন ও প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মির্জা এম হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ কখনোই ন্যূনতম মানদণ্ডের গণতন্ত্রও অর্জন করতে পারেনি। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা, বংশানুক্রমিক নেতৃত্ব এবং আইনের শাসনের পরিবর্তে আইনকে শাসনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ধারায় পরিচালিত হয়েছে, যা কর্তৃত্ববাদকে আরও দৃঢ় করেছে। এক্ষেত্রে জুলাই অভ্যুত্থানকে একটি আংশিক ভাঙনের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কারণ এটি ছিল এমন একটি ব্যতিক্রমী গণ-অভ্যুত্থান, যা মূলত জনগণের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছে এবং প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল ছিল না।’

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন ‘লেকশনস ২০২৬: আনপ্যাকিং ভোটিং বিহেভিয়ার অ্যান্ড ডাইনামিকস’-এ ২০২৬ সালের নির্বাচন বাংলাদেশের ভোটারদের ভোটদানের আচরণ ও এর পেছনের কারণ সম্পর্কে কী ধারণা দেয়, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে নারী ভোটারদের ভোটদানের সিদ্ধান্তের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। 

এ অধিবেশনে গবেষকেরা বিভিন্ন রাজনৈতিক বয়ান এবং সেগুলোর গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণে প্রভাব, ভোটদানের আচরণকে প্রভাবিত করা বিভিন্ন বিষয় এবং ভোটকেন্দ্রভিত্তিক তথ্যের আলোকে নারী ভোটারদের ভোটদানের ধরণ তুলে ধরেন। 

অধিবেশনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন আইএফপিআরআই-বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মুগ্ধ মাহজাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক ড. শুভাশীষ বড়ুয়া, নেত্র নিউজের এক্সিকিউটিভ এডিটর নাজমুল আহসান ও স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট আকিব মো. শাতিল এবং বিআইজিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট তাহরিমা বিনতে তারিক।

গবেষণাপত্র উপস্থাপনার পর একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন বিডিজবস ডটকমের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ভয়েস ফর রিফর্মের সমন্বয়ক একেএম ফাহিম মাশরুর। 

রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রুবাইয়া মুর্শেদ বলেন, ‘নাগরিক হিসেবে সক্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সে ধরনের প্রস্তুতি দেয়নি। তারপরও জুলাই অভ্যুত্থানে ইতিহাসের নানা উদাহরণ ব্যবহার করে যেভাবে আন্দোলনের চেতনা তুলে ধরা হয়েছে, তা আশার কথা। এখন প্রয়োজন, শিক্ষা কীভাবে মানুষকে আরও সচেতন ও নাগরিক দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করতে পারে, সে বিষয়ে আরও গুরুত্ব দেওয়া।’

গবেষক ও লেখক সোহুল আহমেদ আন্দোলনভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে সাধারণ মানুষের থেকে দূরে সরে যায়, সে বিষয়ে কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই বড় বড় আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে থেকে এসেছে। তাই কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে আন্দোলন হলে অনেকেই তা সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেন না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠার পর কেন তারা সাধারণ মানুষের এবং যে আন্দোলন থেকে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেখান থেকে দূরে সরে যায়?’

অলটারনেটিভস’-এর সংগঠক মাহফুজ আলম আন্দোলনভিত্তিক রাজনৈতিক দলের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রচলিত বাম-ডান রাজনীতির বাইরে নতুন ধরনের রাজনীতি গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদর্শগত মতভেদের কারণে দলে যে বিভাজন তৈরি হবে, তার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোও সেই মতভেদকে কাজে লাগিয়েছে। তাই আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দলগুলোর টিকে থাকতে হলে নিজেদের মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলা এবং তা ধরে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

রাজনৈতিক দলের ভেতরে নারীর বিষয়গুলো তুলে ধরার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বতন্ত্র রাজনীতিবিদ ও চিকিৎসক ড. তাসনিম জারা বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো অনেক সময় নারীদের বিষয়গুলো শুধু নারী শাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে। আবার নারী শাখার মধ্যেও নারীদের একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড় করানো হয়। ফলে তারা দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান না।’

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন, ‘পলিটিশিয়ানস অ্যান্ড পলিটিক্যাল পার্টিজ: ওল্ড কোয়েশ্চনস অ্যান্ড নিউ ডাইনামিকস’ ছিল রাজনৈতিক রূপান্তরের কেন্দ্রীয় অংশীজন—রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে। এ অধিবেশনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভাঙনের পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা ও আচরণ, রাজনৈতিক দলে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা, জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের যুবরাজনীতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থায়নের সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

এ অধিবেশনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের পিএইচডি গবেষক ইয়াসিন শাফি, সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. সোহেলা নাজনীন, বিআইজিডির সিনিয়র ফেলো অব প্র্যাকটিস মাহীন সুলতান, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্নেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মারুফা আক্তার, বিআইজিডির ফেলো অব প্র্যাকটিস ও গভর্নেন্স অ্যান্ড পলিটিক্স ক্লাস্টারের প্রধান সৈয়দা সেলিনা আজিজ, বিআইজিডির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ইনতেমাম আহসান এবং ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিটিকসের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট রাগিব আনজুম। 

সম্মেলনের শেষ অধিবেশন, ‘ফিউচার অব ডেমোক্রেসি-এ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ অধিবেশনে গণতন্ত্রের অর্জনকে কীভাবে আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দীর্ঘস্থায়ী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

ড. তাজনুভা জাবীন বলেন, ‘আমাদের মিলের চেয়ে অমিলগুলোই অনেক বেশি সামনে আনা হয়। বিভাজন তৈরির জন্য পার্থক্যগুলোকে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়, অথচ মিলগুলোর দিকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আবার অনেকের মধ্যে এমন একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, অধিকারভিত্তিক বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার অধিকার শুধু নির্দিষ্ট কিছু মানুষের। কিন্তু আমি মনে করি, এই ধারণা সঠিক নয়।’

পুরোনো রাজনৈতিক বিভাজনের পরিবর্তিত বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অনিক রায় বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে আপনি বাম না ডান—সেটি আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ হলো, আপনি কতটা জবাবদিহিমূলক, নিজের প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা করেন এবং অন্যায় হলে, ভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষের পক্ষেও কতটা সাহসের সঙ্গে কথা বলেন।’

জনগণের জন্য নতুন ধরনের রাজনীতির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পিপলস রেভল্যুশনারি ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধি আরিফ সোহেল বলেন, ‘এতদিন আমরা গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ বলতে মূলত ভোটাধিকারকেই বুঝেছি। কিন্তু এখন গণতন্ত্রকে দেখার সেই ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। শুধু ভোট দেওয়ার অধিকারই গণতন্ত্রের একমাত্র বিষয় নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ কোনো একরকম নয়; তাদের মত, চাহিদা ও পরিচয়ে বৈচিত্র্য রয়েছে। বাম-ডান রাজনৈতিক পার্থক্য থাকতেই পারে, তবে সেই পার্থক্যের মধ্যেও কিছু অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া সম্ভব। তাই প্রচলিত বাম-ডান বিভাজনের বাইরে গিয়ে মানুষকে সংগঠিত করার নতুন পথ নিয়ে ভাবতে হবে।’

সম্মেলনে স্টেট অব গভর্ন্যান্স ২০২৬ শীর্ষক প্রতিবেদন ‘রাপচার, রিফর্ম অ্যান্ড রিইম্যাজিনিং ডেমোক্রেসি: ন্যাভিগেটিং দ্য অ্যাগনি অব ট্রানজিশন’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে জুলাই ২০২৪’-এর অভ্যুত্থানের পেছনের আকাঙ্ক্ষা, সেই আকাঙ্ক্ষার বিবর্তন এবং উত্তরণকালীন তার পরিবর্তনের একটি বিস্তৃত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। 

প্রতিবেদনটিতে দেখানো হয়েছে, কেন অভ্যুত্থানের পর তৈরি হওয়া আশাবাদ দ্রুত কমে যায়। তবে একই সঙ্গে এতে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়ে যায়নি। নাগরিকদের ধারাবাহিক সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ বজায় থাকলে, নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও একটি উদার গণতান্ত্রিক পরিসর গড়ে তোলা এখনও সম্ভব। 

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  গণতন্ত্র চূড়ান্ত গন্তব্য   চলমান প্রক্রিয়া   ইমরান মতিন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

শিক্ষা- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close