ভবিষ্যতে যেকোনো লেক পারের রাস্তার ভাঙ্গন রোধসহ বৃষ্টির পানি যেন আর জমে না থাকে, সেজন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে ঢাক উত্তরের গুলশান-২’-এর ১০৪ নাম্বার রোডে মানারত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে লেকের পাড় ভাঙ্গন ও বৃষ্টির পানি জমে থাকা স্থান পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এই প্রতিশ্রুতি দেন।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা নগরবাসী সবাই যদি সচেতন হই এবং ড্রেন ব্যবস্থা যদি আরও উন্নত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বৃষ্টির পানি আর কোন রাস্তায় জমে থাকবে না।’
প্রশাসক নগর নগরবাসীকে ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলাসহ ড্রেনগুলো পরিষ্কার রাখার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান
সাংবাদিকদের এক প্রশ্ন জবাবে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যেসব খাল বেদখল হয়ে গেছে ,সেগুলো দখলমুক্ত করে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খালগুলো পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা কখনোই কমবে না এবং জনদুর্ভোগ দূরীকরণ সম্ভব নয়। তাই, নগরকে বাঁচাতে হলে এবং ভবিষ্যতে সুন্দর নগর গড়ার জন্য খালগুলো দখলমুক্ত করা প্রয়োজন।’
প্রশাসক বেদখল খালগুলো দখলমুক্ত করার জন্য সাংবাদিক ও নগরবাসীকে সহযোগিতার করার আহ্বান জানান।
শফিকুল ইসলাম খান জানান, ইতোমধ্যে মুসলিম বাজার খালসহ কয়েকটি খাল ও ড্রেন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করার কারণে ঢাকা শহরের অনেক মশা কমে গেছে।
ডিএনসিসির বিভিন্ন রাস্তায় জমে থাকা পানির দ্রত অপসারণসহ ভবিষ্যতে যাতে পানি জমে না থাকে, সেজন্য সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।
পরে প্রশাসক খিলখেতের নামাপাড়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নামার স্থান নামাপাড়া খাল সংস্কার করে পানি নামার উপযোগী করার নির্দেশনা দেন।
কেকে/এমএ