শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬,
৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণে ড্রোন সার্ভিলেন্স চালুর উদ্যোগ      নতুন রাষ্ট্রপতিকে ফ্রান্স-সুইজারল্যান্ডের অভিনন্দন      রাষ্ট্রপতির শপথ ঘিরে যেসব সড়ক এড়িয়ে চলার পরামর্শ      নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবিতে নিহত ৪৬      বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ আজ      ফখরুল ইসলামকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি      রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে চীনের অভিনন্দন      
অর্থনীতি
নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে চাপে সাধারণ মানুষ
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বাজারে একের পর এক নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২০০ টাকার মধ্যে মিলছে না কোনো মাছ। একই সঙ্গে ডিমের ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা হওয়ায় বাড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার খরচ। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামেই ঊর্ধ্বগতি থাকায় ক্রেতাদের খেতে হচ্ছে হিমশিম।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাংসের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে আজ বিক্রি হয়েছে ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি। ডিমের বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। সাদা ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, বাদামি ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে এলাকাভেদে বাজার ও পাড়া-মহল্লায় এসব পণ্যের দামে কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, “গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম আগের মতোই আছে। আজকে ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। গত সপ্তাহেও একই দাম ছিল। সোনালি মুরগির দামও আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।”

মাছের বাজারেও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে।

এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৫০০ টাকা, আর ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের আবু দাউদ নামে এক ক্রেতা বলেন, “বাজারে মাছ কিনতে এসে এখন রীতিমতো অবাক হতে হয়। ২৫০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তেলাপিয়াও আড়াইশ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য বাজার করাই কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।”

মাছ বিক্রেতা কফিল উদ্দিন বলেন, “মাছের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে তো পরদিনই আবার বাড়ছে।”

ক্রেতারা জানান, বাজারে এসে এখন মাছ, মুরগি আর ডিম কিনতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। একটির দাম একটু কমলে আরেকটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। ২০০ টাকার মধ্যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না, ব্রয়লার মুরগির দামও অনেক বেশি। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। আমাদের আয় তো সেভাবে বাড়েনি, কিন্তু বাজার খরচ প্রতিদিনই বাড়ছে। আগে যে টাকায় এক সপ্তাহের বাজার করা যেত, এখন সেই টাকা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যাবে।

সূত্র: ঢাকাপোস্ট 

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close