বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই নিজ জেলা কুড়িগ্রামে আনন্দ-উল্লাস বয়ে যাচ্ছে। শহরে মিষ্টি বিতরণ করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির নেতারা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন মোড়ে দলের সমর্থক ও পথচারীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন।
এ আয়োজনে ছিলেন— জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু ও অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দলের চেয়ারপার্সন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের ত্যাগী নেতাকে যোগ্যস্থান দিয়েছেন আমরা কুড়িগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। রুহুল কবির রিজভী আহমেদ শুধু কুড়িগ্রামের অহংকার নয় তিনি গোটা বাংলাদেশের নেতা। এ খবর চাউর হলে বৃহস্পতিবার রাতে শহরের দাদামোড়, কলেজ মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় স্থানীয় সাধারণ পথচারী, দিনমজুর, রিকশাচালক ও ছাত্র-জনতার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।’
শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ‘অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ শুধু কুড়িগ্রামের সন্তান বা আঞ্চলিক নেতা নন, তিনি সারাদেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় ও আস্থার নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দল ও দেশের জন্য তার যে অসামান্য ত্যাগ, সততা ও একনিষ্ঠ আনুগত্য রয়েছে, পুরো জাতি তা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক চড়াই-উতরাইয়ের মাঝেও রাজপথে তার অবদান অতুলনীয়। এ ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করে বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক অনন্য ও উজ্জ্বল উদাহরণ।’
অধ্যাপক হাসিবুর রহমান বলেন, ‘অনুন্নত কুড়িগ্রাম জেলার অভিভাবক রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। জেলাবাসীর প্রত্যাশা তার হাত ধরে জেলার নদী ভাঙ্গন, বাল্য বিয়ে, দারিদ্র্যতা ঘুচবে। শিক্ষা, যোগাযোগ, কর্মসংস্থানসহ সার্বিক উন্নয়নে অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে এমন বিশ্বাস সবার মনে।’
কেকে/এআই