সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর      ঢাকা উত্তরে আসিফ ও দক্ষিণে পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা      ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫৬১      আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক      স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর      ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর ১৭ সেপ্টেম্বরের সফর স্থগিত      আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞার প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ      
অর্থনীতি
মানি এক্সচেঞ্জে ডলার কেনা-বেচার নতুন দর নির্ধারণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫০ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি) খোলা বাজারে ডলারের দর নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নতুন বিনিময় হার নির্ধারণ করেছে। নতুন দর অনুযায়ী, মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় ক্রয় এবং ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করা হবে।

আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে আয়োজিত জরুরি মতবিনিময় সভায় এ দর ঘোষণা করেন এমসিএবির সভাপতি এমএস জামান। 

সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মালিক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় এমএস জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকেই ডলারের এ দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর সংগঠনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের সব মানি চেঞ্জারকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

ডলার বাজারে অস্থিরতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ডলারের বাজারে অনৈতিক কারসাজির দায় মানি চেঞ্জারদের নয়, ব্যাংকগুলোর। মানি চেঞ্জার খাতের পরিধি অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় এ খাতে বাজার ম্যানিপুলেট বা ‘গেম’ করার সুযোগ নেই।’

‘করোনা-পরবর্তী ডলার বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে বিভিন্ন ব্যাংক বিপুল পরিমাণ মুনাফা করেছে। অথচ বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেই এর দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয়।’

এমএস জামান আরও বলেন, ‘মানি চেঞ্জাররা কেবল নগদ বৈদেশিক মুদ্রা বা ক্যাশ কারেন্সি ক্রয়-বিক্রয় করে। তারা কোনো ইলেকট্রনিক বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা লেনদেন করে না এবং সরাসরি রেমিট্যান্সও আনতে পারে না। বিদেশফেরত যাত্রী ও প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে আসা নগদ বৈদেশিক মুদ্রাই তাদের ব্যবসায়ের মূল উৎস।’

‘প্রবাসীরা কষ্টের উপার্জনের নগদ অর্থ দেশে নিয়ে এলে মানি চেঞ্জাররা তা কিনে বৈধ ধারায় নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে পরোক্ষভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে তারা।’

ডলারের দর নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা মানি চেঞ্জারদের নেই দাবি করে এমএস জামান বলেন, ‘মানি চেঞ্জারদের মূলধন বা সক্ষমতা কতটুকু যে তারা ডলারের রেট নিয়ন্ত্রণ করবে? কেন্দ্রীয় ব্যাংকই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি এবং মুদ্রানীতি নির্ধারণ করে। অথচ বাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা দিলেই অভিযোগ তোলা হয়, মানি চেঞ্জাররা রেট বাড়াচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলার কেনাবেচা করলেও এবং শিডিউল ব্যাংকগুলোর জন্য ডলারের দাম নির্ধারণ করে দিলেও মানি চেঞ্জারদের ক্ষেত্রে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকে না।’

এ বৈষম্য দূর করে বৈধভাবে ডলার লেনদেনের সুযোগ বাড়ানো এবং অবৈধ মার্কেট বন্ধে নীতি সহজ করার দাবি জানান এমএস জামান।

‘বৈধভাবে ব্যবসায় পরিচালনার স্বার্থে অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন মানি চেঞ্জারদের একটি তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া হয়েছে।’

বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ডলারের নতুন দর   মানি চেঞ্জার   ডলার বিনিময় হার   এমসিএবি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close