শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬,
১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: নেপাল সীমান্তে আবারও বন্যার শঙ্কা, চীনের জরুরি পদক্ষেপ      হিমবাহ ধসে নেপালে ভয়াবহ বন্যা, মৃত্যু ছাড়াল ৪৬৯      আত্রাইয়ে পৌঁছেছে সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতজনের মরদেহ      হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে প্রস্তাব ও ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন      আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপ      সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট      সেপ্টেম্বরে তফসিল, ডিসেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ : সিইসি      
আন্তর্জাতিক
নেপাল সীমান্তে আবারও বন্যার শঙ্কা, চীনের জরুরি পদক্ষেপ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম আপডেট: ২৮.০৮.২০২৬ ১১:৫৯ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

চীন-নেপাল সীমান্তে সৃষ্ট একটি বাঁধ হ্রদ ভেঙে নতুন করে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চলতি সপ্তাহের ভয়াবহ বন্যায় শত শত মানুষের মৃত্যুর পর নতুন এ ঝুঁকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) চীন ও নেপাল উভয় দেশই হিমালয় অঞ্চলে নতুন করে বন্যার ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছে। চীনের তিব্বত অঞ্চল ও নেপালের সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসে পানি আটকে এ হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে।

ঝুঁকি কমাতে চীনা কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, আট সদস্যের একটি প্রকৌশলী দল মোতায়েন করেছে। দলটি আকাশপথে জরিপ ও ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) মডেল তৈরি করে হ্রদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রকৌশলী দলের সদস্য চেন হানশিয়াও জানান, দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তার মতে, হিমবাহ ধসের পর হ্রদের আশপাশে বিচ্ছিন্ন ও খাড়া পাহাড়ি অংশ তৈরি হয়েছে।

চেন বলেন, “হ্রদের ঝুঁকি কমানোর সাধারণ পদ্ধতি হলো বাঁধের নিচু অংশ দিয়ে পানি বের হওয়ার জন্য একটি নালা তৈরি করা। তবে পানি প্রবাহের গতি ও হ্রদে পানি জমার হার বিবেচনায় নিয়ে নালাটির প্রস্থ ও গভীরতা নির্ধারণ করতে হবে।”

জরিপে দেখা গেছে, হ্রদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫০ মিটার এবং গভীরতা ৪০ থেকে ৫০ মিটার। এতে বর্তমানে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমে আছে। প্রকৌশলীরা হ্রদের তলদেশের তথ্য সংগ্রহ, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি নজরদারির পরিকল্পনা করেছেন।

চীনের গিরং সীমান্তবন্দর এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে হ্রদের উজানের আশপাশের মাটি ও পাথর আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে। আগামী এক সপ্তাহেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

চীন বৃহস্পতিবার সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে প্রবেশ করতে পারে। এই পরিমাণ পানি প্রায় ১ হাজার ২০০টি অলিম্পিক আকারের সুইমিং পুলের সমান। এতে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে এবং আগামী ১ সেপ্টেম্বর পানির প্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

চীনা উদ্ধারকারী দলের ধারণ করা আকাশপথের ভিডিওতে দেখা গেছে, বাদামি রঙের বিপুল পানি কোনো দৃশ্যমান বহির্গমন পথ ছাড়াই একটি অববাহিকায় জমা হচ্ছে। এরই মধ্যে পানি ঝোপঝাড় ও গাছপালা ডুবিয়ে দিয়েছে এবং ধ্বংসাবশেষ ও পাথরের তৈরি প্রাকৃতিক বাঁধের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

এদিকে সীমান্তের উভয় পাশে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ৩১টি দেশের সর্বোচ্চ ৫৪০ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

সূত্র: রয়টার্স 



কেকে/সাশ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  নেপাল সীমান্ত   বন্যার শঙ্কা   চীনের পদক্ষেপ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close