স্মার্টফোন, টিভি, ল্যাপটপ থেকে শুরু করে স্মার্ট স্পিকার—একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস যুক্ত থাকলে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে এ ধীরগতির সমস্যার সমাধানের জন্য নতুন কোনো ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা বাড়তি প্যাকেজ নেওয়ার দরকার নেই।
রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন, পাঁচ গিগাহার্টজ ব্যান্ড ব্যবহার কিংবা অপ্রয়োজনীয় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো সাধারণ কিছু কৌশলেই নেটওয়ার্কের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
সেরা স্পিড পেতে যেখানে বসাবেন রাউটার
ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কভারেজ সম্পূর্ণ নির্ভর করে রাউটারটি ঘরের কোথায় স্থাপন করা হয়েছে তার ওপর। সংযোগের সর্বোচ্চ সুফল পেতে রাউটারটি বাসার একদম কেন্দ্রস্থলে এবং উন্মুক্ত জায়গায় রাখা উচিত। আলমারি বা ভারি আসবাবপত্রের আড়ালে এবং পুরু দেয়ালের কাছে রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মতো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের তরঙ্গ ইন্টারফেয়ারেন্স তৈরি করে, তাই এগুলো থেকেও রাউটার দূরে রাখা জরুরি।
রাউটার রিবুটেই সমাধান
টানা ব্যবহারের ফলে ক্যাশ মেমোরি জমে রাউটারের গতি ধীর হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। ইন্টারনেটের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সপ্তাহে ২-৩ দিন কিছু সময়ের জন্য রাউটার বন্ধ রেখে আবার চালু (রিবুট) করা উচিত। তবে রিবুট করার পরও যদি বারবার স্পিড কমার সমস্যা থেকে যায়, তবে কেবল এতে নির্ভর না করে সংযোগ বা যন্ত্রাংশের মূল ত্রুটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
কেকে/এআই