ছাত্রদলের চারটি পুস্তিকা এবং ডিজিটাল প্লাটফর্মের উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ছাত্রদলের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এ প্রযুক্তির উৎকর্ষতা কাজে লাগিয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করবে। তার ছাত্র রাজনীতি করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই যে স্টুডেন্ট এক্টিভিজম হচ্ছে, এটাই হলো তার প্রাণশক্তি। এভাবেই একটা স্টুডেন্ট একটিভিজম গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। উন্নত দেশ বলি, অনুন্নত দেশ বলি। প্রত্যেকটি দেশেই শিক্ষা সংক্রান্ত সংকটকে দাবি হিসেবে কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করে ছাত্ররা যখন ক্যাম্পাসে অথবা ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়ে এসেছে তখনই ছাত্র রাজনীতি ফুটে উঠেছে।’
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘ছাত্রদলেরও একটা অতীত ঐতিহ্য তৈরি হয়ে গেছে। একটা অতীত গৌরব তৈরি হয়েছে। এ ছাত্রদলের নেতৃত্বে এরশাদের মত একটা ভয়ঙ্কর একনায়কতন্ত্রের পতন হয়েছে। গণতন্ত্রের সংগ্রাম বিজয়ী হয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং তার প্রেরণায় ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রদের ভোট নিয়ে সাধারণ ছাত্রদের সমর্থন নিয়ে পূর্ণ প্যানেলে অথবা অল্প কিছু পদ ছাড়া তারা বিজয়ী হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে মজার ব্যাপার মেধাবীদের যে প্রতিষ্ঠানগুলো ইউনিভার্সিটি এবং মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তখন যে কয়টি ছিল প্রত্যেকটাতেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দিয়েছে কারণ ছাত্রদল বেগম খালেদা জিয়ার যে সাহসী এবং বিরোচিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রতি যে কমিটমেন্ট এবং এর যে প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দর্শন এত সত্য এত অমর এবং এত বাস্তব ছিল যেটা সাধারণ ছাত্ররা গ্রহণ করেছিল।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের এ জাতীয়তাবাদী দর্শনই হচ্ছে সত্য। এ সমস্ত আদর্শ এবং দর্শনকে ধারণ করেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তার পথ চলা শুরু করে এগিয়ে যায় এবং আজকের এ অবস্থায় উপনীত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেটাই হোক না কেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সে আদর্শের উপর ভিত্তি করে আবার এগোবে আবার এগিয়ে যাবে।’
ছাত্রদল যে সত্য এবং রাজনৈতিক দর্শন তারা ধারণ করে এটা জনগণের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কেকে/এআই