মাঠজুড়ে ফুলকপি, আর তাতেই স্বপ্ন বুনছেন ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের উত্তর ভবানীপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র মো. ইমরান হোসেন নাহিদ (২৬)। ভালো দামের আশায় এবার ৫০ শতক জমিতে আগাম জাতের ফুলকপি আবাদ করেছেন তিনি। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে ফুলকপি তুলনামূলক ভালো দামে বিক্রি হয়।
কৃষক নাহিদ মার্কেট লিডার জাতের আগাম ফুলকপি চাষ করছেন। চারা রোপণ, সার প্রয়োগ, সেচ, নিড়ানি ও রোগবালাই দমনসহ নিয়মিত পরিচর্যার পর জমি থেকে ৪৯ দিনেই ফুলকপি উঠতে শুরু করেছে। তার জমি প্রস্তুত, চারা, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ফুলকপির বাজারদর ভালো থাকলে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।
ভেড়ামারার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সদরুল ইসলাম জানান, ভালো দাম ও স্থানীয় বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা আগাম ফুলকপি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। আগাম ফুলকপি লাভজনক হওয়ায় কৃষি বিভাগ কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে আসছে। আমাদের কৃষক মো. ইমরান হোসেন নাহিদকে তার ২০ শতক জমিতে প্রদর্শনী দিয়েছি।
এ ছাড়াও তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আরও ৩০ শতক মোট ৫০ শতক জমিতে তিনি মার্কেট লিডার জাতের আগাম ফুলকপির আবাদ করেছেন। উন্নত জাত নির্বাচন, সঠিক সময়ে চারা রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে আগাম ফুলকপির ভালো ফলন সম্ভব। আশা করি তিনি অনেক লাভবান হবেন।
কেকে/এআই