চিকিৎসক মানেই শুধু রোগীর চিকিৎসা বা হাসপাতালের দায়িত্ব পালন নয়। নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, যোগাযোগদক্ষতা, ব্যক্তিত্ব ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও একজন চিকিৎসকের গুরুত্বপূর্ণ গুণ। চিকিৎসকদের এসব গুণ বিকাশে উৎসাহ দেওয়া এবং তাদের পেশাগত পরিচয়ের বাইরের প্রতিভা তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয় ‘মিস অ্যান্ড মিসেস ডক্টর প্রতিযোগিতা ’।
২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও মেডিক্যাল ছাত্রীরা অংশ নিয়েছেন। নিজেদের যোগ্যতা, আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার পাশাপাশি তাঁরা নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন এবং অন্য চিকিৎসকদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রতিযোগিতাটির মূল ভাবনা ছিল এমন একটি মঞ্চ তৈরি করা, যেখানে চিকিৎসকেরা পেশাগত কাজের পাশাপাশি তাদের অন্যান্য দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবেন।
দীর্ঘ প্রস্তুতি ও ধারাবাহিক কার্যক্রম শেষে আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
বিচারক হিসেবে থাকবেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা সাহা মীম; বিতার্কিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার; চিকিৎসক, অভিনেতা ও লেখক ডা. এজাজুল ইসলাম এবং ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী।
গ্র্যান্ড ফিনালের অন্যতম আকর্ষণ হবে প্রতিযোগীদের চূড়ান্ত মূল্যায়ন ও বিজয়ীদের নাম ঘোষণা। বিভিন্ন পর্যায়ে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে টপ টেনের ভিত্তিতে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। পাশাপাশি অন্য প্রতিযোগীদের অবস্থান ও স্বীকৃতিও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হবে।
যারা বিজয়ীর মুকুট অর্জন করবেন, তাদের জন্য এটি হবে দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরিশ্রমের স্মরণীয় স্বীকৃতি। তবে মুকুট না পেলেও প্রতিটি প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ, অভিজ্ঞতা ও অর্জন এই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই মঞ্চ তাদের নিজেদের প্রতিভা ও অগ্রগতির গল্প তুলে ধরার সুযোগ করে দিয়েছে।
‘মিস অ্যান্ড মিসেস ডক্টর ২০২৫’-এর অফিশিয়াল কো-অর্ডিনেটর ডা. শেখ সোহা। এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা দ্য রেস্ট্রেইনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ
কেকে/এমএ