কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ময়লা (ব্যবহৃত পেম্পাস) ফেলা নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের হাতে দুই সন্তানের জননী ও অন্তঃসত্ত্বা এক নারী খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর দুইটায় বুড়িচং পৌরসভার জগতপুর নাগরবাড়ি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত ফাহিমা আক্তার (২৫) জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে এবং দেবিদ্বার উপজেলার ছুটনা গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি এক সপ্তাহ আগে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার দুপুরে বাড়ির উঠোনে শিশুদের ব্যবহৃত একটি পেম্পাস ফেলা নিয়ে ফাহিমার সঙ্গে তার চাচাতো ভাই সাইদ সিয়ামের কথা-কাটাকাটি হয়। এর কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে ঢুকলে সাইদ সিয়াম তার ৪-৫ জন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফাহিমাকে গুরুতর আহত করে।
ফাহিমার চিৎকারে তার চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন ও বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরকেও কুপিয়ে আহত করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
কেকে/এমএ