শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: শনিবার থেকে দেশব্যাপী তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান      স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম      হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু      আরও বেড়েছে সবজির দাম      লালবাগে পাঁচতলা ভবনের নিচে মাটি খুঁড়ে মিলল ব্যবসায়ীর লাশ      কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট আবার খুলে দেওয়া হলো      চার ক্যাচের খেসারত, ভারতের কাছে হেরে ফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের      
দেশজুড়ে
যমুনা সার কারখানার সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ
জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:২২ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

চলতি জানুয়ারি মাসে জামালপুর জেলার কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভর্তুকির ইউরিয়া সার কৃষকের হাতে পৌঁছানোর আগেই কালোবাজারে বিক্রি হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। 

রাষ্ট্রায়ত্ত যমুনা সার কারখানা থেকে বিসিআইসি কর্তৃক অনুমোদিত ডিলারদের নামে বরাদ্দ পাওয়া অন্তত ২৪ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উত্তোলনের পর সরাসরি চড়াদামে কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এ ঘটনায় ডিলার, কমিশন এজেন্ট ও পেশাদার কালোবাজারিদের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের যোগসাজশের প্রমাণ মিলেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চলতি জানুয়ারি মাসে জামালপুর জেলার জন্য বরাদ্দকৃত সারের অংশ হিসাবে বিসিআইসি অনুমোদিত মেসার্স মানিকুল ইসলাম (ইসলামপুর) ও মেসার্স আনোয়ার হোসেন (জামালপুর সদর)—এই দুই ডিলারের নামে মোট ২৪ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার যমুনা সার কারখানা থেকে উত্তোলন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এর বাইরে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও একজন ডিলারের নামে বরাদ্দকৃত অতিরিক্ত ১২ মেট্রিক টন সার একই কৌশলে কালোবাজারে চলে গেছে।

সূত্র জানায়, মেসার্স মানিকুল ইসলাম (ইসলামপুর) তার বরাদ্দকৃত ১২ মে.টন সার যমুনা সার কারখানা থেকে ৪৫৫৩ নম্বর ট্রাকে উত্তোলন করেন। পরে ওই সার ফারুক মণ্ডল নামের এক কমিশন এজেন্টের মাধ্যমে সরিষাবাড়ী উপজেলার চর আদ্রা এলাকায় সরকারি নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দামে কালোবাজারে বিক্রি করা হয়।

অন্যদিকে, মেসার্স আনোয়ার হোসেন (জামালপুর সদর) তার বরাদ্দকৃত ১২ মে.টন সার যমুনা সার কারখানা থেকে ৩৩১১ নম্বর ট্রাকে উত্তোলন করে মশিউর নামের এক কালোবাজারির মাধ্যমে সরিষাবাড়ীর রোহা আদ্রা এলাকায় বিক্রি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—অভিযুক্ত মশিউর পেশায় একজন সাংবাদিক। একজন গণমাধ্যমকর্মীর সরাসরি সার কালোবাজারি চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় তারাকান্দি ও আশপাশের এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে তারাকান্দি সার ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রভাবশালী চক্র ডিলার বরাদ্দের সার সরাসরি কৃষকের কাছে সরবরাহ না করে মধ্যস্বত্বভোগী ও কমিশন এজেন্টদের মাধ্যমে কালোবাজারে বিক্রি করে আসছে। এতে একদিকে কৃষক ন্যায্য মূল্যে সার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারি ভর্তুকির সার হাতিয়ে নিচ্ছে অসাধু চক্র।

এ বিষয়ে সার ডিলারদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তাদের মুঠোফোনে বারবার ফোন দিলেও রিসিভ  করেনি।

যমুনা সার কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘অভিযুক্ত ওই দুই ডিলারের নামে চলতি মাসের বরাদ্দকৃত ১২ মে.টন করে সার তাদের আবেদন প্রাপ্তি ও টাকা জমাদান সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ট্রাকে করে ২৪ মে.টন সার ডিলারদের বন্টন করা হয়েছে।’ 

কতৃপক্ষ আরো জানায়, ‘কারখানার বাহিরে ডিলার সার কি করলো সেটা দেখার কাজ আমাদের না।’

কেকে/বি



আরও সংবাদ   বিষয়:  সার   কালোবাজার   অভিযোগ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close