মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
প্রিয় ক্যাম্পাস
পদোন্নতি পেলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ‘জমিদার’
সৈয়ব আহমেদ সিয়াম, চবি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৯ পিএম
মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম

মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম

পদোন্নতি পেয়েছন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তথাকথিত ‘জমিদার’ দাবি করা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। তিনি সেকশন অফিসার থেকে সহকারী রেজিস্টার হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। বিতর্কিত মন্তব্য করা এই কর্মকর্তা বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর একজন নেতা।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৫তম সিন্ডিকেটে তার পদোন্নতি অনুমোদন করা হয়।

গত বছরের ৩০ ও ৩১ আগস্ট স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে চবির শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে এই কর্মকর্তা নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মালিক’ ও ‘জমিদার’ বলে দাবি করেন। সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৪০০ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। পরে ৪ সেপ্টেম্বর সংঘর্ষের ঘটনায় জোবরা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয় মতবিনিময় সভা। 

সভায় সিরাজুল ইসলাম বলেছিলেন, 

‘আমরা হচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী এলাকার মালিক। আমরা জমিদার, ঠিক কিনা? জমিদারের ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করবে, এটা কী আমরা মেনে নিতে পারি? কখনোই না। আমরা অতীতেও মেনে নিই নাই, সামনেও মেনে নিব না। এ বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে আমাদের বুকের ওপর। আমরা হচ্ছে এই জায়গার মালিক।’

তার এই বক্তব্যের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘চবিয়ান পাঠচক্র’-এর ব্যানারে শিক্ষার্থীরা তাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিতর্কিত মন্তব্য করা এই কর্মকর্তা বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর একজন নেতা। 

সিরাজুল ইসলামের চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজীদ আংশিক) আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর তাকে হাটহাজারী উপজেলা আমিরের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

৫৬৫ তম সিন্ডিকেটে তার পদোন্নতি চূড়ান্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান। 

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চবির কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে শোকজ করেছে। তিনি পরে শোকজের জবাব দিয়েছেন এবং লিখিতভাবে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন।’

তিনি কিভাবে পদোন্নতি পেলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কেউ কোনো জায়গার যোগ্য হলে অবশ্যই তার যোগ্যতার মূল্যায়ন করতে হবে।’

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পদোন্নতি   চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়   জমিদার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

প্রিয় ক্যাম্পাস- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close