পটুয়াখালীর দশমিনায় উপজেলার শ্রমিকদলের সদস্য সচিব কাওছার খানেকে চাঁদা না দেওয়ায় হামলা করে দুই জনকে আহতের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে মাটিকাটার সময় তারা হামলার শিকার হয়।
কাওসার খাঁন রিকোজ উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের ইমাম হোসেন খাঁনের ছেলে ও দশমিনা উপজেলা শ্রমিকদলের সদস্য সচিব।
আহতারা হলেন, উপজেল বাশঁবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া গ্রামের মৃত, হানিফ দর্জির ছেলে মো. সাবুল হোসেন এবং আমীর হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত এক বছর পূর্বে সাবুল ও আমীর হোসেন একই গ্রামের মৃত. এমদাদ খাঁনের দুই কন্যার কাছ থেকে পারিবারিক গোরস্থান করার জন্য ছয় কড়া জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর থেকে উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব কাওসার খাঁন রিকোচ দলীয় প্রভাব বিস্তার করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে জমিতে দখল দেয় না। এই ঘটনা নিয়ে বহু বার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে শালিস হয় তা মানেনা।
বৃহসম্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে ওই জমিত মাটি কাঁটলে কাওসার খাঁন রিকোজ ও তার ভাই সোহেল সহ ১০-১২ জন লোক নিয়ে বাঁধাদেয়। বাঁধা অমান্য করে মাটি কাটলে জমির মালিক সাবুল হোসেন ও আমীর হোসেনের উপর সন্ত্রাসী হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় লোকজন আসলে তাদের প্রাননাশের হুমকি দিয়া চলে যায়। পরে স্থানীয় লোক জন সাবুল হোসেন ও আমীর হোসেনকে আহত অবস্থায় দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় দশমিনা থানায় রাতে সাবুল বাদী হয়ে কাওসার খান রিকোজ কে প্রধান আসামী করে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন।
প্রতক্ষদর্শী আহত আমীর হোসেন জানান, আমাদের কবলা করা জমি দখলে না দেওয়ার জন্য রিকোজ খাঁন বিভিন্ন সময় ২ লাখ টাকা চাঁদাদাবি করে। গত কাল বৃহস্পতিবার আমাদের জমিতে মাটি কাঁটতে গলে রিকোজ খাঁন ও তার ভাই সোহেল সহ অপরিচিত ১০-১২ জন বাঁধা দেয়। আমি মাটি কাঁটতে নিষেধ না করায় আমাকে এবং আমার ভাই সাবুলকে মাধর করে রক্তাক্ত জখম করে। আমরা অজ্ঞান হয়ে পরি। জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে। রিকোচ খাঁন আমাদের হুমকি দেয় আমি শ্রমিকদলের সদস্যসচিব আমার দাবিকৃত ২লাখ টাকা না দিলে এই জমিতে দখল পাবিনা। আমাদের দুই ভাইকে প্রানে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয়।
চাঁদাদাবি ও রক্তাক্ত হামলার বিষয় কাওসার খাঁন রিকোজ সম্পূর্ন অস্বীকার করে বলেন, ওই জমি নিয়ে ভাগবন্টনের শালিসি চলমান। ওখানে আমারও জমি আছে। আমি বলেছি শালিসি চূড়ান্ত হওয়ার পর কাজ করতে।
দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদৎ মো. হাচরাইন পারভেজ জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
কেকে/এমএফএইচ