অবশেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। আসনটিতে প্রথম ধাপে মনোনয়ন পাওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিক ব্যক্তি মুশফিকুর রহমানকেই চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত করে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাক্ষরিত চূড়ান্ত প্রার্থী ও প্রতীক বরাদ্দের চিঠি ইস্যু করা হয়।
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। বর্তমানেও ভোটের মাঠে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে মুশফিকুর রহমানের।
জানা গেছে, প্রথম ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বিএনপিন মনোনয়ন দেয়া হয় মুশফিকুর রহমানকে। শেষ দিকে এসে এ আসনটিতে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। গত ৩ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির এ দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।তবে মুশফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন একই আসনের গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী জহিরুল হক চৌধুরী।
যদিও মনোয়নপত্র জমাদানের আগেই মুশফিকুর রহমান তার কানাডিয়ান নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন বলে তার হলফনামায় উল্লেখ করেন। পরে রবিবার শুনানি শেষে আপিল আবেদন নামঞ্জুর করে মুশফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্রের বৈধতা বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল মনসুর মিশন জানান, মুশফিকুর রহমানকে চূড়ান্ত প্রার্থী উল্লেখ করে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা মুশফিকুর রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচনে জয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রবিবার বিকেলে এ রায়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে কসবা ও আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের সামনে প্রার্থীর সমর্থকেরা মিছিল, স্লোগান ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
কেকে/এমএফ