দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার রহিমা খাতুন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার সভাপতি ও একাডেমিক মাধ্যমিক সুপারভাইজার কর্তৃক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক কে জোর পুর্বক স্বাক্ষর নিয়ে পুরাতন নিয়োগপত্রে নতুন করে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মো. মনছুর আলী।
বৃহস্পতিবার (২২জানুয়ারী) বেলা ২টায় সেতাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত সাংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘রহিমা খাতুন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসায় গত ২০/০১/২০২৬ ইং তারিখে একাডেমিক মাধ্যমিক সুপার ভাইজার উম্মে সালমা তার নিজ অফিসে আমাকে ডাকেন। আমি আনুমানিক পৌনে ৪টায় মাধ্যমিক অফিস কার্যালয়ে এসে দেখি মাদরাসা সভাপতি মো. বাছের চৌধুরী, মাদ্রাসা সহকারী শিক্ষক মো. শামিম হোসেন সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতিতে আমাকে বসতে বলে সভাপতি ও একাডেমিক সুপার ভাইজার আমাকে মাদ্রাসার পুরাতন ফাইলে স্বাক্ষর দিতে বলেন।’
‘আমি সেই কাগজপত্রে স্বাক্ষর প্রদান এবং কাগজপত্র পড়ে দেখি মাদ্রাসার মো. শামিম হোসেন তার বোন লাভলী আক্তার কে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজ পত্রাদি বের করে আমাকে বিসমিল্লাহ বলে স্বাক্ষর বলেন।’
আমি কাগজ পত্র গুলো দেখি যে সভাপতি তার বোনকে ২০২৪ সালে অত্র মাদরাসার সহকারী শিক্ষিকা মোছা: মাহফুজা বেগমের পরিবর্তে নিয়োগ প্রদান করছে।
আমি স্বাক্ষর করতে না চাইলে একাডেমিক সুপার ভাইজার বলেন ‘আপনি স্বাক্ষর দিতে বাধ্য। আপনি না দিলে আপনার বাপ এসে স্বাক্ষর দিবে। এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান। এতে আমি কিছু কাগজপত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হই। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক পুরতান কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে নিয়ম বর্হিভুতভাবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছেন এর বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।’
এবিষয়ে একাডেমিক মাধ্যমিক সুপারভাইজার উম্মে সালমা বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক যে সব অভিযোগ করেছে তা সর্ম্পূন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’
কেকে/এমএফ