বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬,
১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর       কোনো রোগী যেন চিকিৎসার অভাবে দুর্ভোগে না পড়ে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী      রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      
ইতিহাস ও এতিহ্য
ফরিদপুরে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী হারিকেন
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৬ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বিদ্যুতের সহজলভ্যতা ও আধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে ফরিদপুরে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে এক সময়ের পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী আলোর উৎস হারিকেন। একসময় রাতের আঁধার দূর করার প্রধান ভরসা থাকলেও বর্তমানে চার্জার লাইট, সোলার লাইট ও বিদ্যুতের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে হারিকেন এখন কেবল স্মৃতি কিংবা জাদুঘরের প্রদর্শনীর বস্তু হয়ে উঠছে।

জানা যায়, হারিকেন মূলত জ্বালানি তেলের মাধ্যমে আলো জ্বালানোর একটি ব্যবস্থা। বদ্ধ অর্ধবৃত্তাকার কাচের অংশটিকে বাঙালিরা চিমনি নামে চেনে। এর ভেতরে কাপড়ের তৈরি শলাকার মাধ্যমে তেলে আগুন জ্বালিয়ে আলো পাওয়া যায়। আলো কমানো-বাড়ানোর জন্য হারিকেনের বাইরের অংশে একটি চাকতি থাকে, যা ঘোরানোর মাধ্যমে শলাকার ওঠানামার সঙ্গে আলো বাড়ে বা কমে। বহন করার সুবিধার জন্য এতে লোহার তৈরি একটি ধরুনিও থাকে।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একসময় উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে হারিকেন মেরামতের জন্য আলাদা কারিগর দেখা যেত। তবে সময়ের ব্যবধানে হারিকেনের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এসব কারিগর এখন পেশা পরিবর্তন করে অন্য কাজে যুক্ত হয়েছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কালিপদ চক্রবর্ত্তী বলেন, “ছোট বেলায় হারিকেনের আলোতে পড়ালেখা করেছি। গৃহস্থলি এবং অন্ধকারে পথ চলতে হারিকেনের আলো ব্যবহকার হতো।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে হারিকেনের ব্যবহার নাই বললেই চলে। হারিকেন জাপানি শব্দ হলেও প্রাচীন বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য কুপি বাতি, মোমবাতি ও হারিকেন এখন শুধুই স্মৃতি। গ্রামের অমাবস্যার রাতে মিট-মিট আলো জ্বালিয়ে মানুষের পথ চলার স্মৃতি এখনও তাড়া করে। দিন দিন প্রযুক্তি মানুষকে উন্নত করছে। হারিকেন ছেড়ে মানুষ এখন বিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছে।”

কেকে/ আরআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  ফরিদপুর   হারিকেন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ইতিহাস ও এতিহ্য- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close