ঢাকার উত্তরায় সরকারি হাসপাতাল স্থাপনের অঙ্গীকার করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সাথে সেখানে গ্যাস সমস্যার সমাধান করতে হবে বলেও মত দিয়েছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেছেন, ‘উত্তরাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসার জন্য একটি সরকারি হাসপাতালের প্রয়োজন। ১২ তারিখের নির্বাচনে ধানের শীষ বিজয়ী হলে আমরা এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেব।’
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত একটার দিকে ঢাকার উত্তরার ঈদগাহ মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীরকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য উত্তরাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সফলে উত্তরাবাসীর বিশেষ অবদান রয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সেই অবদানের কথা আগামী দিনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’
উত্তরায় গ্যাসের সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,
‘আপনারা প্রতি মাসে বিল দেন, কিন্তু ঠিকমতো গ্যাস পান না। এটা শুধু এই এলাকার সমস্যা না। এটা পুরো দেশের সমস্যা। বিগত সময়ে আমরা দেখেছি, দেশে নতুন কোনো গ্যাস কুপের সন্ধান করতে দেওয়া হয়নি। আমাদেরকে এই সমস্যার সমধান করতে হবে। নতুন শিল্প কারখানা করতে হবে।’
এছাড়াও পানির সমস্যা, জলাবদ্ধতা দূর করা ও যানজট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তারেক রহমান।
সমাবেশ শেষে রাত একটা ২০ মিনিটে উত্তরা থেকে গুলশানের বাসায় উদ্দেশ্যে রওনা হন তারেক রহমান। এর আগে বেলা ১১টায় ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ নির্বাচনি সমাবেশ করতে রওয়না হন। সেখানে বিকালে নির্বাচনি সমাবেশ শেষে গাজীপুরের উদ্দেশে রওয়না হন। রাত ১২টায় সমাবেশ শেষ করে ঢাকায় ফেরেন। তার সাথে স্ত্রী জুবাইদা রহমানও ছিলেন। সড়কপথে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ সফরকালে দলের নেতাকর্মীরা রাস্তায় ২ পাশে উপস্থিত থেকে শুভেচ্ছা জানান। এই সময় তিনিও নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে অভিবাদন দেন।
বিএনপির মিড়িয়া সেলের অন্যতম সদস্য আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাত একটা ৪৮ মিনিটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্ত্রীসহ গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামীকার বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া নির্বাচনি সমাবেশ করার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। এরপর বরিশাল বিভাগে নির্বাচনি প্রচারে যাবেন তিনি।
কেকে/এমএ