দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মারুফ হাসানের যোগদানের কয়েক মাসের মধ্যেই উপজেলার উন্নয়নে অসংখ্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন তার সুফল পাচ্ছেন বোচাগঞ্জ উপজেলার সাধারণ মানুষ।
তিনি তার উপর অর্পিত সরকারি দায়িত্ব কে শুধুমাত্র দায়িত্ব পালন মনে না করে এটাকে পবিত্র দায়িত্ব ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা মনে করেন। তার কাছে আসা প্রতিটি সেবাগ্রহীতা সাধারণ মানুষ হাসিমুখে কাংক্ষিত সেবা পেয়ে ফিরে যান। দালালমুক্ত প্রশাসন গঠনের উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষকে সরাসরি সেবা দেওয়ার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
শুধু উপজেলার ইউএনও হিসেবে নয়, প্রথম শ্রেনীর সেতাবগঞ্জ পৌরসভারও প্রশাসকের দায়িত্ব পালনেও অসামান্য ভুমিকা পালন করে আসছেন তিনি।
যোগদানের পর থেকেই ইউএনও মারুফ হাসান, সততা, কর্মদক্ষতা ও মানবিক আচরণে বদলে গেছে পুরো উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর, সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফলস্বরূপ, বোচাগঞ্জ উপজেলায় এখন জনভোগান্তি নেই বললেই চলে। বেড়েছে সেবার মান। তিনি মাটি ও মানুষের কাছাকাছি থেকে কাজ করছেন। তার স্বপ্ন এই উপজেলাকে একটি উন্নত, আধুনিক ও জনবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে।
এর মাঝে দৃষ্টি নন্দন শিশু পার্ক, পুকুরের চারিপার্শের গাছ গুলোর গোড়ায় আলপনা অংকন, বৃদ্ধ, অসুস্থ্য ও স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের জন্য ওয়াকওয়ে, উপজেলার ছাতইল ইউনিয়নের টাঙ্গন নদীর পাশে ‘আই লাভ বোচাগঞ্জ’ ভিউ নির্মান করে উপজেলার মানুষের হৃদয়ে শক্ত জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
তিব্র শীতে এলাকার ছিন্নমুল মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের কম্বল। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও সেতাবগঞ্জ পৌরশহরের অলি গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গরিব অসহায় ও ছিন্নমুল মানুষের দাড়ে দাড়ে গিয়ে বিতরণ করছেন একটুকরো উষ্ণতা(কম্বল)। রাতের আধারে রেল ষ্টেশন, নিরাপত্তা প্রহরী, রাস্তার পার্শে শুয়ে থাকা পাগল কিংবা ছিন্নমুল মানুষের পাশে ও এতিমখানার দরজার সামনে উপস্থিত ইউএনও মারুফ। ঈগলের চোখের মতই চোখ দিয়ে দেখা মাত্র ঐসব মানুষদের হাতে তুলে দিয়েছেন এবং শরীরে জড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বাস আর ভালোবাসার হাত। যে হাতে রয়েছিল শীত নীবারনের উষ্ণ কম্বল।
মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত ইউএনও নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে। এলাকার সচেতন মানুষ চায় সেতাবগঞ্জ পৌর শহরের ছোট ছোট সমস্যা গুলো যেমন, সড়কের পাশে নির্মান সামগ্রী রাখা, উচ্চ শব্দে মাইকিং, চলাচলের পথ বন্ধ করে দোকানের মালামাল রাখা ইত্যাদি বিষয় গুলো যেন প্রশাসক মারুফ হাসানের হাত দিয়েই সমাধান হয়।
কেকে/ এমএস