মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
প্রিয় ক্যাম্পাস
অযত্নে ম্লান নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল ভাস্কর্য
মোখলেসুর রহমান মাহিম, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশ: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২২ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গৌরবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাস্কর্যটি বর্তমানে রয়েছে অযত্ন ও অবহেলায়। ভাস্কর্যের গায়ে পাখির বিষ্ঠা ও ধুলাবালির স্তর জমে রয়েছে, আর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে পড়ছে এর নান্দনিক সৌন্দর্য। দেখে মনে হয় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবথেকে অবহেলিত জিনিস নজরুল ভাস্কর্য।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাস্কর্য চত্বরের চারপাশে কিছুটা নজরদারি থাকলেও মূল ভাস্কর্যের রক্ষণাবেক্ষণে রয়েছে যথেষ্ট ঘাটতি। দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করায় ভাস্কর্যের গায়ে পাখির বিষ্ঠা লেগে প্রলেপের মতো স্তর তৈরি হয়েছে। এছাড়াও ধুলাবালির আস্তরণ জমে ভাস্কর্যের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য ও নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কবি নজরুল ১৯১৩-১৪ সালের সময়ে এই ত্রিশালে এসেছিলেন কিছুসময়ের জন্য। তার শৈশবের নানান স্মৃতি এখানে জড়িয়ে রয়েছে। ২০০৫ সালের ১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছিলেন প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এখন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী ২৫ টি বিভাগে পড়াশোনা করছেন।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ও নজরুল গবেষক ড. মো. সাহাবউদ্দিন বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুর তিন দশক পর ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার নামাপাড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। নজরুল তাঁর বৈচিত্র্যময় জীবনের একটি বছর কাটিয়েছেন ত্রিশালের এই নামাপাড়ায়। সেই স্মৃতির প্রতীক হিসেবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রস্থলে স্থাপন করা হয়েছে কবি নজরুলের দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য। তবে ভাস্কর্যটিকে ঘিরে সচেতনতার ঘাটতি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কিছুটা অভাব রয়েছে। জাতীয় কবির স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে এই ভাস্কর্যটি যাতে যথাযথ মর্যাদা, সুষ্ঠু সংরক্ষণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আওতায় আসে, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরী।

বিভিন্ন ছবি দেখে বিষয়টি নজরে আসে সাবেক শিক্ষার্থী সিফাত শাহরিয়ার প্রিয়ানের। তিনি বলেন, নজরুল ভাস্কর্যের গায়ে এভাবে পাখির বিষ্ঠা, ময়লার আস্তর থাকা অনাকাঙ্ক্ষিত। বরং এটি সুন্দর ও পরিষ্কার রাখাই দায়িত্ব। নিয়মিত তত্ত্বাবধান করলে ভাস্কর্যের উজ্জ্বলতা বাড়বে। এ ব্যাপারে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধন কমিটির আহ্বায়ক এবং প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধন খাতে আলাদাভাবে কোনো অর্থ বরাদ্দ নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময় পর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান ও স্থাপনাসমূহ বিভিন্নভাবে সংস্কার এবং সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করা হয়। নজরুল ভাস্কর্যের বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

প্রিয় ক্যাম্পাস- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close