ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য নির্বাচিত সংসদের সদস্য ইশরাক হোসেন। দেশের একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘তারা (সাকিব-মাশরাফী) ক্রিকেটার, তাও যেন তেন ক্রিকেটার না, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সম্পদ। আমি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছি....জনগণ এ বিষয়ে তাদের জবাব ইতোমধ্যেই একপ্রকার দিয়ে দিয়েছে, সমাজ দিয়ে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যে গণহত্যার মামলা, সেটা আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় না তারা নির্দেশ দিয়ে কাউকে হত্যা করেছে বা বন্দুক হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হত্যা করেছে।’
তবে, অন্যান্য অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানিয়ে ইশরাক বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো দুর্নীতি বা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ যদি থাকে, তাহলে সেটা যথাযথ কর্তৃপক্ষের উচিত হবে খতিয়ে দেখা।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের যাত্রা আগেই শেষ করেছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ঘরোয়া ক্রিকেটকে বিদায় না বললেও রাজনৈতিক কারণে আছেন আত্মগোপনে। একই কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না সাকিব আল হাসান। তবে, দেশের জার্সিতে খেলেই বিদায় নিতে চান এ তারকা।
সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশের হয়ে খেলে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান সাকিব। এর পরপরই আবারও আলোচনায় আসে তার মাঠে ফেরার বিষয়টি। সম্প্রতি বিসিবিও জানিয়েছে, সাকিবকে দলে ফেরানোর ব্যাপারে ইতিবাচক তারা। আর ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরও সাকিবের খেলা নিয়ে কোনো ইস্যু নেই।
এ ব্যাপারে আগেই ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিলেন দলটির অন্যতম মুখ্য নেতা মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সেটা (সাকিবের জাতীয় দলে খেলা) সাকিবের ফর্মের ওপর নির্ভর করবে। তখন সে ক্রিকেটে থাকবে কিনা তার ওপর নির্ভর করবে। আমি কখনোই খেলাধুলার মধ্যে রাজনীতিকে আনতে চাইনি এবং বিশ্বাসও করি না। সুতরাং যে যোগ্য, সে অবশ্যই আসবে (খেলবে)।’
চলমান বিশ্বকাপ শেষে পাকিস্তানের সাথে সিরিজ খেলার কথা আছে বাংলাদেশের। গুঞ্জন উঠেছে, ওই সিরিজে খেলতে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরবেন সাকিব। তবে, সাকিব নিজেই জানিয়েছেন, ২৮ তারিখ আসছেন না তিনি।
কেকে/এমএ