কুমিল্লা নগরীতে একটি নারী মাদরাসার প্রিন্সিপালের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ দেখা দেওয়ায় নিহতের স্ত্রী ও শ্যালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও কৌতূহল দেখা দেয়।
নিহত হাফেজ মাওলানা সালমান কুমিল্লা নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকার ৪ নম্বর সেকশনে অবস্থিত জান্নাতুন নাঈম মহিলা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় নিজ বাড়িতে জানাজার নামাজ ও দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। তবে মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দাফন কার্যক্রম স্থগিত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহত মাওলানা সালমান কুমিল্লার লালমাই উপজেলার দাপাড় গ্রামের বাসিন্দা এবং মাওলানা আব্দুর রহমানের বড় ছেলে।
তার মৃত্যু স্বাভাবিক নয় বলে অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা।
নিহতের ছোট ভাই ইহসান দাবি করেন, ‘আমার ভাইয়ের মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে লালমাই থানা পুলিশ নিহতের স্ত্রী জান্নাত ও শ্যালক মাহমুদুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে লালমাই থানার এসআই ফারুক ও এসআই প্রদীপ জানায়, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তারা।
কেকে/বি