বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী শুভ (২৮) মারা গেছেন। ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে তিনি মারা যান।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত শুভ শেরপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার মোস্তাফিজুর রহমানের বড় ছেলে ও হক ফার্মেসির স্বত্বাধিকারী।
এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের দশ মাইল এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন শুভ ও তার সঙ্গী। এ সময় অজ্ঞাতনামা কোনো একটি গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে মোটরসাইকেল থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়েন শুভ। দুর্ঘটনার আকস্মিকতায় মহাসড়কের পেছনের গাড়িগুলো তাৎক্ষণিক ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোকে সজোরে ধাক্কা দিলে ভয়াবহ ত্রিমুখী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শুভ ও রণবীরবালা এলাকার আরজুসহ (২৮) মোট চারজন আহত হন।
দুর্ঘটনার পরপরই গুরুতর আহত অবস্থায় শুভকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোরতাজা নুর বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক এবং মোটরসাইকেলটি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।’
এদিকে ১৩ দিন পর শুভর মৃত্যুর খবরে তার পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কেকে/এসএ