মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
প্রিয় ক্যাম্পাস
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপককে কুপিয়ে হত্যা
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৩ পিএম আপডেট: ০৫.০৩.২০২৬ ১১:১৪ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

বকেয়া বেতন ও অন্য বিভাগে বদলি সংক্রান্ত রেষারেষির জেরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর নিজের গলায় ছুঁড়ি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান।  

বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাটিজ অনুষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ও ইবি থানার পুলিশ গিয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে।

তাদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেওয়ার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।  হাসপাতালে সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. হোসাইন ইমাম। 

জানা যায়, দীর্ঘদিন আগে বেতন নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পরে সম্প্রতি ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এই কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য জানান, আমরা এখানে ৪ জন গল্প করছিলাম।  সিভিল লোকও ছিলো ৩-৪ জন।  হঠাৎ করে আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি।  তারপর ৪-৫ জন আমরা একসাথে উপরে উঠে সেখানে ডাকাডাকি করছে তার শব্দ পেয়ে দরজা ভেঙে ফেলি।  তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে শুয়ে আছে।  আর পুরুষটা নিজে নিজেই গলায় ছুঁড়ি চালায় দিয়েছে।  পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, “ওনাকে বদলি করা হয় আজ থেকে প্রায় ২০ দিন থেকে ১ মাস আগে।  তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিল না এবং এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল।  ওনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয় আর উনি এখন এমন সাংঘাতিক একটা ডিসিশন নিবে আমরা ভাবতেও পারিনি।  আমরা আজ বিভাগে ইফতার মাহফিল ছিল।  আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম।  ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিল।  উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান।  আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল।  এরমাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিল না।  আমরা ছিলাম ওই রুমে।  এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটান।”

কেকে/এজে


আরও সংবাদ   বিষয়:  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়   সহযোগী অধ্যাপক   কুপিয়ে হত্যা   
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

প্রিয় ক্যাম্পাস- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close