কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে মাতৃত্বকালীন ভাতা কার্ডের বিপরীতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কার্যালয়ের অফিস সহকারী এমদাদ হোসেনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার অভিযোগ করে জানান, মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার জন্য তিনি আবেদন করেছিলেন। আবেদন করার কিছু দিন পর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অফিস সহকারী এমদাদ হোসেন তাকে ফোন করে জানান, তার কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এ সময় তিনি কার্ড পেতে হলে দুই হাজার টাকা নিয়ে অফিসে যেতে বলেন। তখন সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, কিসের টাকা? তখন তিনি বলেন, কার্ডের টাকা।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, অফিস সহকারী এমদাদ হোসেন দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রভাব খাটিয়ে উপজেলায় কর্মরত আছেন। স্থানীয়ভাবে যে দলই ক্ষমতায় আসে, সেই দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সখ্যতা রয়েছে বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে এমদাদ হোসেন বলেন, ‘সুমাইয়া নামের কাউকে আমি চিনি না। আমি কোনো টাকাও দাবি করিনি।’
এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার মুক্তা খোলা কাগজকে বলেন, ‘আমাদের দপ্তর থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে কোনো টাকা-পয়সা লাগে না। নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে ভুক্তভোগীকে সরাসরি আমার কার্যালয়ে যোগাযোগ দিতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেকে/এমএ