মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      
রাজধানী
তুরস্কে কিডনি প্রতিস্থাপনের ফাঁদ
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৬ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

তুরস্কে কিডনি প্রতিস্থাপনসহ বিভিন্ন চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বিদেশে নিয়ে গিয়ে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। তুরস্কের একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট নকল করে ‘টার্কিশডক’ নামে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে তারা এই প্রতারণা চালিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—দিনাজপুরের নুরুজ্জামান রাজু, মাসুম বিল্লাহ ও মোহাম্মদ তরিকুল; বরগুনার সালমান ফারসি এবং টাঙ্গাইলের ওয়ালিদ মিয়া।

গত বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন রাজধানীর মিরপুরে র‌্যাব-৪ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিপিসি-১-এর কোম্পানি কমান্ডার কে এন রায় নিয়তি এসব তথ্য জানান।

র‌্যাব জানায়, প্রতারক চক্রটি তুরস্কের একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট নকল করে নিজেদের সেই প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশি এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দিত। এরপর কিডনি প্রতিস্থাপন, আইভিএফসহ বিভিন্ন চিকিৎসার কথা বলে রোগীদের তুরস্কে পাঠাত।

ভুক্তভোগী নিরব নজরুল লিখন তার মায়ের কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য চক্রটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তাকে জানানো হয়, তুরস্কের একটি হাসপাতালে ২৩ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হবে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে লিখন দেশে নগদ ৫ লাখ টাকা দেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কাগজপত্র সত্যায়নের জন্য আরও ২ লাখ টাকা পরিশোধ করেন।

পরে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি তার মাকে নিয়ে তুরস্কে যান। সেখানে চক্রের সহযোগীরা তাদের বিমানবন্দর থেকে রিসিভ করে একটি হাসপাতালে ভর্তি করায়। এরপর কিডনি ডায়ালাইসিসসহ নানা অজুহাত দেখিয়ে নির্ধারিত অর্থের বাইরে অতিরিক্ত ১৫ হাজার মার্কিন ডলারসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেশি আদায় করা হয়।

তবে বিপুল অর্থ নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত তুচ্ছ অজুহাত দেখিয়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয় এবং তাদের দেশে ফিরে যেতে বলা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা কে এন রায় নিয়তি জানান, দেশে ফিরে ভুক্তভোগী টাকা ফেরত বা চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলতে চাইলে চক্রের সদস্যরা তাকে ভয়ভীতি দেখায়। পরে তিনি ডিএমপির শ্যামপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  তুরস্ক   কিডনি   প্রতিস্থাপন   ফাঁদ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

রাজধানী- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close