নীলফামারীতে নাফ বাংলাদেশের আয়োজনে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুষ্টির সম্প্রসারণ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে সঞ্চালনা করেন হারভেস্ট প্লাস সলুশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শাহিনুল কবির।
সেমিনারে জিংকসমৃদ্ধ চালের গুণাগুণ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট রংপুরের পিএসও মো. রকিবুল হাসান। আরও বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন আব্দুর রাজ্জাক, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রাশেদুল হক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মণ্ডল, উদ্যোক্তা সুলতানা বেগম প্রমুখ।
আয়োজকরা জানান, পুষ্টির ঝুঁকিতে থাকা নারী, কিশোরী ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর বায়োফর্টিফাইড খাবার গ্রহণ বাড়াতে এই প্রকল্পে নারী, কৃষক ও এসএমইদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুষ্টির অভাব পূরণে জিংকসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে কানাডা সরকারের অর্থায়নে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, নীলফামারী, রংপুর ও লালমনিরহাট জেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে হারভেস্টপ্লাস। চার বছরের প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৭ সালে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, ‘পাঁচ লাখ পরিবারকে এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়েছে। জিংকের ব্যবহারে শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশ ঘটে, ক্ষুধামন্দা দূর হয়, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। এজন্য জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান ১০২’-এর চাষাবাদ বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।’
কেকে/এসএ