মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
খেত খামার
ঠাকুরগাঁওয়ে শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
ক্ষতিগ্রস্ত ফসল

ক্ষতিগ্রস্ত ফসল

ঠাকুরগাঁওয়ে আকস্মিক শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। শিলাবৃষ্টির কারণে আম, লিচুর মুকুলের পাশাপাশি গম, ভুট্টা, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ সব ধরনের ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাসহ জেলার হরিপুর, বালিয়াডাঙ্গী, রাণীসংকৈল ও অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শিলাবৃষ্টি ও ঝড় শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার আগ থেকেই দমকা হাওয়া বইতে শুরু করে। পরে বাতাসের বেগ বেড়ে যায় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। শিলাবৃষ্টির এসব পাথরের ওজন প্রতিটি প্রায় ১০০-২০০ গ্রামের মতো হবে, যা বিগত সময়ের শিলাবৃষ্টির তুলনায় যথেষ্ট বড়। তাই এবার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণটা অন্যান্য বারের তুলনায় অনেকটাই বাড়বে।
     
জেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, ঠাকুরগাঁও জেলায় গত কয়েকদিনে যে শিলা, ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে, তাতে জেলার নানা ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির গম, ১ হাজার ৭১৭ হেক্টর জমির ভুট্টা, ২৫৭ হেক্টর জমির আলু, ৩ হেক্টর জমির গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও ৬৬ হেক্টর জমির পেঁয়াজ বীজ নষ্ট হয়েছে।
   
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার ভুট্টা চাষি পরিতোষ বলেন, “আমি তিন বিঘা জমিতে ভুট্টার চাষ করেছিলাম। প্রতি বিঘায় আমার সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫-৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অর্ধেক টাকাই আমি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলাম। শিলাবৃষ্টি আর ঝড়ে যে ক্ষতি হয়েছে, তাতে আমি ঋণ শোধ করা দূরের কথা, আমাকে আবারও ঋণ করতে হবে।”
   
আরেক কৃষক গোপেন চন্দ্র বলেন, “আমি চার বিঘা জমিতে ভুট্টা করেছিলাম। সেটা একেবারে মাটির সঙ্গে শুয়ে গেছে। এছাড়া গম ও আম বাগানের আমের মুকুলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বাগানের কোনো গাছের আমের মুকুল অবশিষ্ট নেই। জানি না এ ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেব।” 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী উপপরিচালক কৃষিবিদ আলমগীর বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করার চেষ্টা করছি। ক্ষতিগ্রস্ত এসব চাষি যেন তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে, সেজন্য সরকারের চলমান প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার জন্য আমাদের কাজ চলছে। আমরা আশা করছি, সরকার যদি আরও প্রণোদনা দেয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আমরা সব ধরনের সহযোগিতাসহ পুনর্বাসন করতে পারব।”

কেকে/এসএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  শিলাবৃষ্টি   ঝড়   ফসল    ক্ষয়ক্ষতি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খেত খামার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close