পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যার ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৮-১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে ঈশ্বরদী থানায় নিহত সোহাগের বাবা ইমানুল প্রামাণিক এই এজাহার দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর স্কুলপাড়া এলাকায় সোহাগ ও তার বন্ধুরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে সোহাগকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্বশত্রুতার জেরে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে সোহাগ ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা চালায়।
নিহতের পরিবারের দাবি, এই শত্রুতার জের ধরেই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে। নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ও ঈশ্বরদী উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্য সচিব ছিলেন।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ‘‘নিহত সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। দ্রুততম সময়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
কেকে/এসএ