নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খাঁন বলেছেন, ‘নারায়ণগঞ্জ শহরকে হকারমুক্ত করে গ্রীণ অ্যান্ড ক্লিন করা হবে। শহরকে বাসযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন করতে সিটি কর্পোরেশন তার সর্বোচ্চটুকু করবে।’
সোমবার (১৩ এপ্রিল) নগরীর চাষাড়া জিয়া হলের সামনে পূর্বঘোষিত হকার উচ্ছেদ অভিযানে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
সিটি কর্পোরেশন গত কয়েক দিন আগে ১৩ এপ্রিল শহরের ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ করার ঘোষণা দেয়। এ লক্ষ্যে কয়েকদিন ধরে শহরে মাইকিং করে আসছে সিটি কর্পোরেশন।
এর আগে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করে সিটি কর্পোরেশন।
দুপুরে পূর্বঘোষিত হকার উচ্ছেদ অভিযানে যোগ দিতে সিটি কর্পোরেশন বুলডোজার, ডাম্প ট্রাক ও ভেকুসহ অন্যান্য যানবাহন নিয়ে চাষাড়া জড়ো হয়। তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, র্যাব, স্কাউট দল ও সিটি কর্পোরেশনের যানজট নিরসন ও পরিচ্ছন্নকর্মীরাও অংশ নেয়।
যদিও আগের দিন রাতেই শহরের ফুটপাত থেকে মালপত্র সরিয়ে নেয় হকাররা। শহরের মূল সড়কের দু'পাশ সকাল থেকে খালি দেখা গেছে।
সোমবার দুপুরে জিয়া হলের সামনে হকার উচ্ছেদ অভিযান মূলত সমাবেশের রূপ নেয়। সমাবেশে অংশ নেয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা হকার উচ্ছেদে তাদের সমর্থন রয়েছে জানিয়ে বক্তব্য দেন।
সমাবেশে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খাঁনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বী, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর সভাপতি নুর উদ্দিন আহমেদ, হোসিয়ারী সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এইচ এম আনোয়ার প্রধান, সাবেক কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার, শওকত হাসেম শকু, দিলারা মাসুদ ময়না, মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মনোয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম সুজন, ফারহানা মানিক মুনা।
এ ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী আসগর হোসেন, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা কেএম ফরিদুল মিরাজসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
কেকে/ এমএস