ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে রাজধানীর কলাবাগানে অবস্থিত বর্জ্যের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন সংস্করণ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এই উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন শেষে আবদুস সালাম বলেন, ‘ব্যবস্থাপনার অদক্ষতার কারণে অতীতে এখানে সৃষ্ট দুর্গন্ধ ও যানজটে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। আজ থেকে সেই সমস্যাগুলো পেছনে ফেলে এটি একটি নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হলো।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের সহযোগিতা পেলে এই মডেল অনুসরণ করে ডিএসসিসির প্রতিটি এসটিএস-কে পর্যায়ক্রমে নান্দনিক রূপে সাজানো হবে।’
ধানমন্ডি লেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান
এসটিএস উদ্বোধনের পরপরই ধানমন্ডি লেক ও সংলগ্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের মোট ৬০০ কর্মী অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
অভিযানে আবদুস সালাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ ও ভারসাম্য সংরক্ষণ করা হবে। লেকের যতটুকু জায়গা ইজারা দেওয়া হয়েছে, ব্যবসায়ীদের ঠিক ততটুকু সীমানার মধ্যেই ব্যবসায় পরিচালনা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইজারার শর্ত ভঙ্গ বা সীমানা লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ইজারা বাতিল করা হবে।’
শেখ রবিউল ইসলাম ডিএসসিসির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ‘লাইব্রেরি, জিমনেসিয়াম ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই এলাকার ‘ফুসফুস’ খ্যাত ধানমন্ডি লেকটিকে রক্ষা করবে ডিএসসিসি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মশক নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসি পূর্বের তুলনায় দৃশ্যমান উন্নতি করেছে।’
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রশাসকের কঠোর তৎপরতার কারণেই বর্তমানে মশা নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল হয়েছে।
অভিযানের পূর্বে জনসচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। এতে ধানমন্ডি সোসাইটির সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।
কেকে/এমএ