গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. ফোরকান মোল্লার লাশ উদ্ধার নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস বলেন, “তার ভাই প্রাথমিকভাবে দেখে বলছে, এটা তার ভাইয়ের লাশ। তবে উদ্ধার হওয়া মরদেহটির চেহারা পচে গেছে।”
ফোরকান মোল্লার লাশ উদ্ধার হয়েছে—এমন সংবাদ প্রকাশ করা যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তার ভাই জব্বারের রেফারেন্স দিয়ে লিখতে পারেন। কারণ জব্বার বলেছে, এটা তার ভাইয়ের লাশ।”
মো. ইলিয়াস আরও বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে, এটি ফোরকান মোল্লার মরদেহ কি না।’
এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম খোলা কাগজকে বলেন, “এই মুহূর্তে কাপাসিয়া থানার একটি দল মাওয়া এলাকায় অভিযানে রয়েছে। সেখানে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।”
তিনি জানান, নিহত শারমিনের বাবা শাহদাত মোল্লা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গৃহকর্তা মো. ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন (৩৫), সন্তান মিম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) ও শারমিনের ভাই রসুল (২২)।
গত ৮ মে দিবাগত রাতে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের ওই বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক কলহের জেরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সংবাদ ব্রিফিংয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শরিফ উদ্দীন জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পর প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা গত ১১ মে পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কেকে/এমএ