কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীর চোখ-মুখ বেঁধে স্বর্ণালঙ্কার ও অর্থ লুটের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২২ মে) উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিমপাড়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মিজান গ্রামের ইনামুদ্দিনের ছেলে ও ইমন পাশ্ববর্তী দড়িপাড়া গ্রামের নজরুলের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোররাতে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সৌদি আরব প্রবাসী রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই মিজানকে পার্শ্ববর্তী জামষাইট গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজবাড়ির বসতঘর থেকে চালের বস্তার ভেতরে লুকানো অবস্থায় রাখা লুট হওয়া স্বর্ণ ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। একই ঘটনায় জড়িত ইমন নামে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, সৌদি প্রবাসী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি আক্তার সন্তানদের নিয়ে বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন সন্তানদের স্থানীয় স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাসায় ফিরে স্বামীর সঙ্গে কিছুক্ষণ ফোনে কথা বলেন তিনি। পরে রান্নার কাজ শুরু করার মুহূর্তে কিছু বুঝে ওঠার আগেই পেছন দিক থেকে তার মুখ চেপে ধরা হয় এবং দুই হাত বেঁধে ফেলা হয়।
একপর্যায়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বলপ্রয়োগ করে ঘরের স্বর্ণ ও নগদ টাকা কোথায় রাখা আছে তা জানতে চাপ দেওয়া হয় এবং তাকে মারধর করা হয়। পরে দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা ১১ ভরি স্বর্ণালংকার ও সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তদন্ত শুরু করি। বিভিন্ন সূত্র ব্যবহার করে সৌদি প্রবাসীর ভাই মিজানকে শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। ইমন নামে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
কেকে/এমএ